প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ১১:১৪ পিএম

বর্ষায় পানি বৃদ্ধি ও ঢেউয়ের তীব্রতায় চাঁদপুর সদরের মেঘনা উপকূলীয় এলাকায় নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ইউনিয়নের আনন্দবাজার জেলে পল্লী এলাকার বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন আনন্দবাজার জেলে পল্লীসহ ভাঙনপ্রবণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন তিনি। নদীভাঙনের ভয়াবহতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো ডিসির আশ্বাসে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন। তারা দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানান।
স্থানীয় আইনজীবী জসীম মেহেদী বলেন, “বর্ষা এলেই নদীপাড়ের মানুষ ভাঙন আতঙ্কে রাত কাটায়। বহু পরিবার ইতোমধ্যেই বসতবাড়ি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। স্থায়ী সমাধান ছাড়া নদীভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়। আমাদের প্রত্যাশা দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।”
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, “ভাঙন প্রতিরোধে অস্থায়ী নয়, স্থায়ী সমাধানের জন্য কার্যকর প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। সরকার ইতোমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পরিদর্শনকালে ডিসির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল হক, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্ত রনি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ