বৃহস্পতিবার ● ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
নূহ (আ.) আল্লাহর কাছে যে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৪ AM
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

হজরত নূহ (আ.)-কে মানবজাতির দ্বিতীয় পিতা বা আদমে সানী বলা হয়। তার সময়কার মানুষরা খোদাদ্রোহী ছিল এবং সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে ব্যাপক বন্যার মাধ্যমে শাস্তি প্রেরণ করেছিলেন। শুধু অল্প কিছু ঈমানদার মানুষ ও প্রাণী বাঁচেছিল, এবং তাদের মাধ্যমেই মানবজাতির পুনঃবিস্তার ঘটেছিল।
 
নূহ (আ.) প্রায় হাজার বছরের বেশি সময় জীবিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি তার সম্প্রদায়কে আল্লাহর একত্ববাদ ও সত্য পথের দিকে আহ্বান করেছেন। কিন্তু তার লোকজন নবীর কথায় সাড়া দেয়নি। উল্টো তার ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালিয়েছে; কখনো তাকে পাথর দিয়ে আঘাত করেছে। এ আঘাতে নূহ (আ.) অনেকবার রক্তাক্ত ও বেহুশ হয়ে পড়তেন।

জ্ঞান ফিরে এলে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন, যেমন—

“হে আল্লাহ! আমার জাতিকে ক্ষমা করুন, তারা অজ্ঞ এবং বুঝতে পারে না।”

নূহ (আ.) ধৈর্য্য ধরে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মকে আহ্বান চালিয়ে গেছেন, শুধু এই আশায় যে হয়তো কোনো এক প্রজন্ম আল্লাহর ওপর ঈমান আনবে। কিন্তু শতাব্দী ধরে প্রচেষ্টা করেও তার সম্প্রদায় ঈমান আনে নি।

শেষ পর্যন্ত নূহ (আ.) আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন, কারণ তার প্রতি মিথ্যারোপ এবং অবহেলা চলছিল। কোরআনে উল্লেখ আছে—

قَالَ رَبِّ انۡصُرۡنِیۡ بِمَا كَذَّبُوۡنِ
(সুরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ২৬)
অর্থ: "হে আমার রব! আমাকে সাহায্য করুন, কারণ তারা আমার প্রতি মিথ্যা বলেছে।"

অন্যত্র কোরআনে বলা হয়েছে—

হে আমার রব! এ পৃথিবীতে কাফেরদের মধ্য থেকে একজনকেও বাঁচিয়ে দিবেন না। তারা যদি থেকে যায়, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে গোমরাহ করবে এবং তাদের বংশ থেকে কেবল দুষ্কৃতকারী জন্ম নেবে।
(সূরা নূহ, আয়াত: ২৬–২৭)

আল্লাহ তায়ালা নূহ (আ.)-এর দোয়া কবুল করলেন এবং তাকে নৌকা তৈরির নির্দেশ দিলেন। নৌকা তৈরির পর একদিন বিশাল প্লাবন শুরু হলো—আকাশ থেকে মুষলধারে বৃষ্টি নামে এবং ভূমি থেকে পানি উপচে আসে।

নৌকায় নূহ (আ.) সহ ঈমানদার মানুষ ও জোড়া জোড়া প্রাণী উঠেছিলেন। এর বাইরে পৃথিবীর সব মানুষ ও প্রাণী প্লাবনে মারা যায়। বন্যা শেষে আল্লাহর হুকুমে আকাশের বৃষ্টি থেমে যায় এবং জমিন পানি শোষণ করে নিলে পৃথিবী আবার বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। ঈমানদারদের মাধ্যমে মানবজাতি পুনরায় বিস্তার লাভ করে।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম



আরও সংবাদ   বিষয়:  নূহ (আ.)  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close