প্রকাশ: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৪ পিএম

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর লোন কিস্তি ফাঁকি দিয়ে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (১৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় দুদকের পটুয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছে। তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে জানা যায়, পেনশন বিভাগের উপ-পরিচালক রাজিব মিয়া এবং ল্যাব এটেন্ডেন্ট আবু সালেহ মোঃ ইছা ভুয়া ব্যাংক স্লিপ তৈরি করে লোনের কিস্তি জমা দেওয়া দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে:
পরিবহন শাখার সেকশন অফিসার সবুর খান: ১,৭৫,০০০ টাকা
পরিবহন শাখার হেলপার আবু জাফর: ৬৬,০০০ টাকা
দুদক জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সম্ভবত সংবাদ পেয়ে পালিয়ে গেছেন। তবে প্রাথমিক তদন্তের তথ্য প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী আরও তদন্ত চলবে।
পবিপ্রবি হিসাব শাখার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিপিএফ ১০% কর্তণ তহবিল থেকে মোটরসাইকেল ও কম্পিউটার ক্রয়ের জন্য লোন চালু করা হয়। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা লোন কিস্তির টাকা ব্যাংকে জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন। পরে কিছু টাকা তারা ফেরতও দিয়েছেন। অভিযোগে আরও জানা যায়, উপ-রেজিস্টার মোঃ খাইরুল বাসার মিয়া (নাসির), ফটো মেশিন অপারেটর শামীম খান, ঝাড়ুদার ফরিদা বেগম, অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আলম, অফিস সহায়ক মাসুদ সহ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর লোন কিস্তির টাকা ভুয়া রশিদে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ