বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি      ফেনীতে দাঈ সম্মেলন অনুষ্ঠিত      জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গাজী নজরুলের আরও ৪ দিনের রিমান্ড      সৌদিতে ড্রোন-মিসাইল হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি      সহকারী সার্জন ও ডেন্টাল সার্জন পদে ৫ হাজার নিয়োগ      
বর্ষা এলেই ঘুমহীন রাত কাটায় নদী পাড়ের মানুষ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ২:৩৯ পিএম
একমাস যাবত ভাঙনে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে

একমাস যাবত ভাঙনে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের হাতিয়া মোল্লাপাড়া ও হাতিয়ার দক্ষিণপাড়া গ্রাম যমুনা নদীর শাখায় ধলেশ্বরী নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ঘর বাড়ি। গত কয়েকদিনে অন্তত তিনটি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।

আজ রবিবার (১৭ আগস্ট) সরেজমিন জানা যায়, এখনো পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মেম্বাররা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তেমন কোন খোঁজখবর নেয়নি।

এবিষয়ে দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ফাহিমা আক্তার বলেন, “এর আগে ৫০ থেকে ৬০ টি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এবছরও একমাস যাবত ভাঙনে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত কোন জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তা আসেনি।”

নদীর পাড়ে বসবাসকারী জমেলা খাতুন বলেন, “আমাদের গ্রামে প্রতি বছরই ঘর বাড়ি নদী বিলীন হয়ে যায়। মাত্র তিনদিন আগে আমার একটি ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফসলের মাঠে আমন ধান লাগিয়েছিলাম, কিন্তু সে জমি গুলিও নদীতে চলে গেছে।”

এমন দুর্ভোগের শিকার জমেলা খাতুনের মতো অসংখ্য হাজারো মানুষের বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি প্রতি বছরই নদী গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীরা বলেন, “হাতিয়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতেও নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে।”

স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করে জানায়, নদীর ভাঙন ঠেকাতে নির্মিত একটি বাঁধ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, বাঁধটি ভেঙে গেলে সল্লা, হাতিয়া, বিলছায়া, নরদহী, দেউপুর, নারান্দিয়া, পালিমা সহ অন্তত ১০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হবে। এতে ফসলি জমি, ঘরবাড়ি এবং রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।

এছাড়াও এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, বর্তমানে তারা ফসলের মাঠে আমন ধান রোপণ করেছেন। বাঁধ ভেঙে গেলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে, যা তাদের জন্য মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, “এটা টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিষয় তাদেরকে অবগত করা হলে ভালো হবে।”

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান বলেন, “ভাঙনের বিষয়ে কোন তথ্য জানা নেই, যদি আপনার কোন তথ্য জানা থাকে জানালে আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখব। 


স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  বর্ষা   রাত   নদী পাড়  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close