
মুরগীর ফার্ম বাসস্ট্যান্ডস
রাজবাড়ী জেলা শহরের মুরগীর ফার্ম বাসস্ট্যান্ডসহ বেশিরভাগ বাস স্টপেজে যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। রোদ, বৃষ্টি কিংবা ঝড়, এসবের মধ্যেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বাসের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের।
পাংশাগামী যাত্রী সালাম হোসেন বলেন, “ব্যবসায়িক কাজে প্রায়ই রাজবাড়ী-পাংশা যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে ছাউনি না থাকায় তাকে মালপত্রসহ রোদে পুড়তে হয় বা আশপাশের দোকানে ঠাঁই নিতে হয়।”
মুরগীর ফার্ম বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদপুর, দৌলতদিয়া, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন রুটের বাসগুলো সরাসরি রাস্তার পাশ থেকেই যাত্রী তুলছে। কিছু জায়গায় ছোট দোকান বা টিকিট কাউন্টার থাকলেও সেখানে বসার জায়গা নেই। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে দোকানদারদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন।
বর্তমানে গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড ছাড়া গোটা জেলায় কার্যকর কোনো যাত্রী ছাউনি নেই। পাংশা ও গোয়ালন্দ মোড়ে যাত্রী ছাউনি থাকলেও তা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে।
কালুখালীতে একসময় একটি ছাউনি থাকলেও জেলা পরিষদের এক সদস্য সেটি ভেঙে মার্কেট গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাজবাড়ী জেলা পরিবহন মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার সরকার বলেন, “বিষয়টি আগে ভাবিনি, তবে অবশ্যই যাত্রী ছাউনি থাকা দরকার। দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজস খান বলেন, “জেলার গুরুত্বপূর্ণ বাস স্টপেজগুলোতে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা জানান, ফোর লেন সড়ক নির্মাণের সময় যাত্রী ছাউনি ভেঙে ফেলা হলেও আর নির্মাণ করা হয়নি। অথচ মুরগীর ফার্ম স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, পাবনা, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাত্রী পরিবহন করা হয়।
জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত যাত্রী ছাউনি নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।