প্রকাশ: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ৫:০৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলটির গাড়ি বহর ও নেতাকর্মীদের ঘিরে হামলা চালিয়েছে।
আজ বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা পৌনে তিনটার দিকে শহরের পৌর পার্কে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চারদিক থেকে এনসিপির নেতাকর্মী ও পুলিশের গাড়ি আটকে দেন। এ সময়
পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে এনসিপির নেতাকর্মীরা অন্যদিক দিয়ে গাড়ি
ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এদিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন,
আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে। এ সময়
পুলিশ-সেনাবাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের বলা হয়েছিল, সবকিছু
ঠিক আছে। কিন্তু তারা সমাবেশস্থলে এসে দেখেন পরিস্থিতি ঠিক নেই।
এর আগে, বেলা পৌনে দুইটার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে এনসিপির সমাবেশস্থলে যায়। সে সময় মঞ্চের আশপাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে দ্রুত আদালত চত্বরে ঢুকে পড়েন। একই সময়ে মঞ্চে ও মঞ্চের সামনে থাকা এনসিপির নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন।
যারা হামলা চালান, তারা সবাই আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে এনসিপির নেতাকর্মীরা
অভিযোগ করেছিলেন। ওই সময় হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করেন, ব্যানার
ছিঁড়ে ফেলেন। একপর্যায়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যান।
এনসিপির নেতাকর্মী ও পুলিশ এক হয়ে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে
এনসিপি সেখানে সমাবেশ শুরু করে।
এ ঘটনায় গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো.কামরুজ্জামান গোপালগঞ্জ জেলায়
১৪৪ ধারা জারি করেছেন। জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।