প্রকাশ: শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫, ৯:৩৫ AM

রাজধানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মী শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার এক শিক্ষিকার (২৭) পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে ভাটারা থানায় হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি কীটনাশক পান করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী পুরুষ শিক্ষক মিরপুর-১২ নম্বরের বাসায় অবস্থান করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার সহকর্মী নারী শিক্ষিকা সেখানে গিয়ে রাত কাটান এবং ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন।
পরদিন সকালে তিনি আহত শিক্ষককে রক্তাক্ত অবস্থায় বসুন্ধরা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে খবর পেয়ে পুলিশ নারী শিক্ষককে সেখান থেকেই আটক করে।
নারী শিক্ষক পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) ফোন দিয়ে নিজেকে ‘বাঁচানোর’ অনুরোধ করেন। এরপর পুলিশ তাকে ভাটারা থানায় নিয়ে যায়।
ভাটারা থানার ওসি জানান, আটক নারী ওষুধ আনার নাম করে তার স্বজনদের মাধ্যমে কীটনাশক আনিয়ে তা পান করেন। পরে তাকে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
পল্লবী থানায় এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ আলী জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষক বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তবে নিহত নারীর পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী শিক্ষক একে অপরের স্বামী-স্ত্রী। তাদের মধ্যে তিন-চার মাস আগে বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষক পরে আরেক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন, যে কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা ঘটে।
এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং সত্যতা যাচাইয়ে বিবাহ সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম