প্রকাশ: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ৭:১৮ পিএম আপডেট: ১১.০৭.২০২৫ ৯:৪৫ PM

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও সাধারণ যাত্রীরা। যানবাহনের চাকা গর্তে পড়ার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আজ শুক্রবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে মহাসড়কের গজারিয়া অংশের প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বালুয়াকান্দি, ভাটেরচর, ভাটেরচর নতুন রাস্তা, ভিটিকান্দি, ভবেরচর ও বাউশিয়া এলাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ গর্তে পানি জমে থাকায় সেগুলো চোখে পড়ছে না। ফলে দ্রুতগতির যানবাহনের চালকদের জন্য এটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
জৈনপুর পরিবহনের চালক হারুন বলেন, “গত কয়েক মাস ধরেই কিছু গর্ত ছিল, তবে টানা বৃষ্টির কারণে গর্তের সংখ্যা ও গভীরতা অনেক বেড়েছে। গাড়ির চাকা গর্তে পড়লেই নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।”
প্রাইভেটকার চালক আলীফ ও সামছুল হক বলেন, “মহাসড়কের এই অংশে চলাচলে স্বস্তি নেই। খানাখন্দের কারণে অনেক ঝাঁকুনি খেতে হয়। সরকার যেন দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম শুরু করে।”
সড়ক ব্যবহারকারী আলীপুরা গ্রামের মরিয়মন বেগম বলেন, “আমি নিয়মিত এই পথে চলাচল করি। বড় গাড়িতে ঝাঁকুনি কিছুটা কম হলেও ছোট গাড়িতে প্রচণ্ড কষ্ট হয়। আমার মতো বয়স্ক এবং অসুস্থদের জন্য এটা আরও কষ্টকর।”
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহিম বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে, বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, বৃষ্টি কমলেই দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম