শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
ভুতুড়ে বিলের ফাঁদে অর্ধশত গ্রাহক
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, ৩:২১ পিএম আপডেট: ২০.০৬.২০২৫ ৩:৩২ PM
একটি বিদ্যুৎ মিটার

একটি বিদ্যুৎ মিটার

ভোগান্তির আরেক নাম টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বিদ্যুৎ অফিস। বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য, মিটার জালিয়াতি, আর ভুতুড়ে বিল! সব মিলিয়ে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা। অভিযোগের পাহাড় জমেছে অফিসে তবুও মিলছেনা প্রতিকার।

ঘাটাইল উপজেলায় বর্তমানে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে ৪৭ হাজার ৪২১টি। এরমধ্যে প্রিপেইড মিটার ২৩ হাজার, ডিজিটাল মিটার ২৪ হাজার ৪২১টি এবং সেচ পাম্প ৯০৩টি।

গ্রাহকদের অভিযোগ, মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে বিলের কোনো মিল নেই। কারো কারো ক্ষেত্রে গড়মিল দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ইউনিট পর্যন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের আনার গ্রামে ১৫-১৬টি সেচ পাম্পে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের নামে একের পর এক ভুয়া বিল পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ অফিস। শূন্য ইউনিট দেখিয়েও গ্রাহকদের ১৮ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিল ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। বিল না দিলে মামলার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা।

প্রসঙ্গত, মিটার রিডারদের এই ভুতুড়ে বিল ও অনিয়ম বন্ধে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছে না ভুক্তভোগী গ্রাহকদের।

ভুক্তভোগী মোকছেদ আলী বলেন, ‘‘সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছি। তারপরেও ৩৯ হাজার ২৮১ টাকার বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে ধরিয়ে দিয়েছে এবং ৭দিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিল না দিলে মামলা দেবে বলে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন দুর্নীতি করতে এমন হয়রানিতে ফেলেছেন।’’

দেলোয়ার হোসেন নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘‘মিটার রিডিংয়ের কয়েক হাজার টাকা গড়মিল রয়েছে বিলের কাগজের সঙ্গে। বিল পরিশোধ করার পরেও উল্টো বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন অন্যায়ভাবে ভুয়া বিল এবং তারা যা ইচ্ছে তাই করছেন।’’

ভুক্তভোগী সজীব বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ বিলের কাগজের সঙ্গে মিটার রিডিংয়ের কোনো মিল নেই। এখনো বিদ্যুৎ অফিসের কাছে ১৬ হাজার ইউনিটের বেশি পাওনা রয়েছি। অথচ আমাকেও ভুয়া বিল ধরিয়ে দিয়েছেন। এর বিচার কোথায় দেব? বিদ্যুৎ অফিসে প্রতিকার চাইলে তারা বলে বিল পরিশোধ করতেই হবে, না হলে মামলা হবে।’’

আরেক ভুক্তভোগী তোরাব আলী বলেন, ‘‘রিডিংম্যানরা কখনোই মিটার দেখে না। বসে বসে ইচ্ছেমতো ইউনিট বসিয়ে বিল করে। আমাদের মিটার ভেঙে ফেলা হয়েছে। মিটার বাণিজ্য চলছে। পুরো অফিস দুর্নীতি আর ঘুষের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।  আমাদের এই ভুয়া বিল থেকে মুক্ত করা হোক।’’

ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বিষয়টি জানা আছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”


স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস



আরও সংবাদ   বিষয়:  বিল   গ্রাহক   ফাঁদ  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close