বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      ৮ মাসে পেরিয়ে গেলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া জায় নেই      বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ       একাদশের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন      ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের      শরণখোলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ      রৌমারীতে উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন      কপোতাক্ষে মিলল ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ      টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      
মারা গেছেন ৫ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করা মুক্তিযোদ্ধা সখিনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫, ২:০৮ পিএম

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম (৯৩) আর নেই।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) ভোর ৫টার দিকে বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের বড়মাইপাড়া গ্রামে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সখিনা বেগমের বাড়ি ছিল কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলের নিকলী উপজেলার গুরুই গ্রামে। তার বাবার নাম সোনাফর মিয়া এবং মায়ের নাম দুঃখী বিবি। মুক্তিযুদ্ধের আগেই তার স্বামী কিতাব আলী মারা যান। নিঃসন্তান সখিনা বেগম অনেক বছর ধরে বাজিতপুর উপজেলার বড়মাইপাড়ায় ভাগ্নি ফাইরুন্নেছা আক্তারের বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

স্থানীয় হিলচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়াজ মামনুন রহমান পুটন জানান, সখিনা বেগম দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বড়মাইপাড়ায় বসবাস করছিলেন। ছোটবেলা থেকে তিনি সখিনা বেগমের কাছেই শুনেছেন মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা।

নিকলী উপজেলার গুরুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোতা মিয়া বলেন, ‘সখিনা বেগমকে দেখার কেউ ছিল না, তাই তিনি ভাগ্নির কাছে থাকতেন। মৃত্যুর পর তাকে গুরুই গ্রামে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার আসরের নামাজের পর গুরুই ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে তাকে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।’

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সখিনা বেগম সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। তার ভাগ্নে মতিউর রহমান সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন। এরপর আরও উদ্যমী হয়ে উঠেন সখিনা। তিনি গুরুই এলাকায় বসু বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে রাঁধুনির কাজ করতেন এবং গোপনে রাজাকারদের খবর সংগ্রহ করতেন।

একবার তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন, তবে কৌশলে পালিয়ে আসেন। ফেরার পথে একটি ধারালো দা সঙ্গে নিয়ে আসেন, যা দিয়ে পরে তিনি নিকলীতে পাঁচজন রাজাকারকে হত্যা করেন। ঐতিহাসিক সেই দা এখন ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

বীর এই নারী মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম

আরও সংবাদ   বিষয়:  নারী মুক্তিযোদ্ধা  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close