প্রকাশ: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫, ৭:২৩ পিএম আপডেট: ০১.০৬.২০২৫ ৭:২৭ PM

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য বড় দুটি ধর্মীয় উৎসব বছরের দুই ঈদ। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসেছে গবাদিপশুর হাট।
বরাবরের মত এবারেও ঢাকার পল্লবী থানার ইস্টার্ন হাউজিং গরুর হাট এলাকায় বসেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও বৃষ্টির বাধায় এখনও জমে উঠেনি এবারের হাট।
সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা যায়, হাটে গরু-ছাগলের পাশাপাশি স্বল্প পরিসরে ভেড়া নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা। ছাগলের পরিমান ভেড়ার চেয়ে কিছুটা বেশি হলেও হাটে আধিক্য কোরবানির গরুর। দেশি ও মিক্সড ব্রিডের গরু উঠেছে এবারের হাটে।
তবে রবিবার (১ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত এখনো হাটে দেখা মিলেনি দুম্বা, উট বা অন্যান্য পশুর।
উল্লেখ্য, বৃষ্টি থেকে গবাদিপশু রক্ষা করতে বিভিন্ন জায়গায় তাবু টানিয়েছেন বিক্রেতারা। একইসাথে মাটিতে খড় বিছিয়ে বৃষ্টির পানি থেকে গবাদিপশুগুলো দূরে রাখার চেষ্টা করছেন তারা। এছাড়াও হাটের প্রবেশ পয়েন্ট গুলোতে বসানো হয়েছে হাসিল ঘর। মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে হাটের মাঝে সীমিত করা হয়েছে যানবাহনের প্রবেশ। একই সাথে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন অবস্থানরত কর্মীরা।
প্রতিবছরই বিপুল পরিমাণে পশু নিয়ে ইস্টার্ন হাউজিং গরুর হাটে আসেন বিক্রেতারা। সেই পশুদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ভেটেনারি চিকিৎসকদের দল বসেছে হাটের বিভিন্ন জায়গায়। তারা জানান, প্রাথমিকভাবে জ্বর, সর্দি, ও ব্যথার জন্য ঔষধ নিতে এসেছেন বিক্রেতারা।

বিক্রেতাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা হিসেবে হাটে বসেছে অস্থায়ী কিছু খাবার হোটেল৷ এছাড়াও রয়েছে পানি, ঘুমানোর জায়গাসহ নানা সুবিধা।
তবে এতকিছুর পরেও একেবারে শূন্যের ঘরে কোরবানির পশুর বেচা-কেনা ৷ হাটের ২ নম্বর হাসিল ঘরে দেখা যায় নির্বিকার বসে আছেন ইজারাদাররা।
২ নং হাসিল ঘর থেকে মো: বাপ্পি জানান, এখনো ঈদের প্রায় ৬ দিন বাকি আছে। মূলত বেচা-কেনা হয় ঈদের ৩ দিন আগে থেকে। ১ নং হাসিল ঘরের দিকে ছাগল বিক্রি কিছুটা হলেও গরুর বিক্রি নেই একেবারেই। তবে আশা করা যায়, সোমবার (২ জুন) বিকাল থেকে বেচা-কেনার পরিমান বাড়বে।
স্বদেশ প্রতিদিন/আইজেপি