বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      ৮ মাসে পেরিয়ে গেলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া জায় নেই      বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ       একাদশের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন      ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের      শরণখোলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ      রৌমারীতে উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন      কপোতাক্ষে মিলল ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ      টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      মিছিলের চেষ্টা, ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মী আটক      
কবিরাজকে হত্যার পর ১০ টুকরো
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ৪:০৩ পিএম
এক নারী ও তার দেবরকে ফাঁসির আদেশ

এক নারী ও তার দেবরকে ফাঁসির আদেশ

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে কবিরাজ মফিজুর রহমানকে হত্যা করা হয়। এই মামলায় এক নারী ও তার দেবরকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসরাত জাহান মুন্নী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা জামিনে গিয়ে ২০২৩ সাল থেকে পলাতক রয়েছেন। পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মাকসুদা আক্তার লাকী ও তার দেবর সালাউদ্দিন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রবিউল বলেন, মফিজুর রহমান নিখোঁজের ঘটনায় তার ভাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশের তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের (দণ্ডিতদের) নাম আসে। এরপর তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তারা হত্যার দায় স্বীকার করে। মফিজুরের দেহের টুকরোগুলো উদ্ধার করা হয়।

এরআগে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি কেরাণীগঞ্জের বেউতা গণকবরের সামনের ডোবা থেকে হাত, পা ও মাথাবিহীন খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সেই বছরের ২ জানুয়ারি কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা করেন এসআই এস এম মেহেদী হাসান।

আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, মামলার ভিকটিম মফিজুর রহমান একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তার সার, কীটনাশকের দোকানও ছিল। পাশাপাশি তিনি কবিরাজি করতেন। আসামি লাকীর স্বামী বিদেশে থাকেন। তাদের একটা ছেলে সন্তান রয়েছে। অধিক সন্তানের আশায় তিনি কবিরাজের কাছে যান। এরপর তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি জানাজানি হলে আসামিরা তাকে খুনের পরিকল্পনা করেন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিকটিম মফিজুর রহমানকে লাকীর বাসায় দাওয়াত করা হয়। পরে মফিজুর রহমান তার বাসায় যান। গরুর মাংস, চায়ের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অজ্ঞান করা হয়। পরে তার দেহকে ১০ টুকরো করে এখানে-সেখানে ফেলা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর  ঢাকার দক্ষিণ গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক নাজমুল হাসান দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়। এবং সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করা হয়।


স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  হত্যা   কবিরাজ   ফাঁসি  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close