প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ১২:৫৬ পিএম

নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে আমেনা বেগম (৫০) নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
গতকার বুধবার (২৮ মে) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শতফুল গ্রামের সাইক্লোন শেল্টার সংলগ্ন মো. এমরান উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সোয়া ২ টার দিকে নিঝুমদ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
নিহত আমেনা বেগম একই গ্রামের মো. এমরান উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি চার মেয়ে ও দুই ছেলের জননী ছিলেন।
নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও স্থানীয় বাসিন্দা আমিরুল মোমিন বাবলু জানান, আমেনা বেগমের স্বামী স্থানীয় বাজারে শুঁটকি ব্যবসা করেন। তাদের চার মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এবং দুই ছেলে জেলা শহর মাইজদীতে থেকে পড়াশোনা করে। বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী দু’জনই বাড়িতে বসবাস করতেন।
তিনি আরও জানান, বুধবার সন্ধ্যায় এমরান বাড়িতে এসে দেখেন স্ত্রী নামাজ পড়ছেন। এরপর তিনি বাজারে চলে যান। রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি বাড়ি ফিরে এসে দেখেন ঘরের দরজা খোলা এবং স্ত্রী ঘরে নেই। মাঝখানের কক্ষে রক্ত পড়ে থাকতে দেখে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান।
পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের পুকুরে আমেনা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা তাকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়।
নিঝুমদ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল মান্নান বলেন, ‘গলা কেটে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর তার মরদেহ পুকুরে ফেলা হয়। পরে রাত সোয়া ২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম