প্রকাশ: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫, ৪:১৯ পিএম

উত্তরের পথে যানজট মুক্ত স্বস্তির ঈদযাত্রায় পরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে বেশি ভাড়া আদায়ের। ঈদের সন্নিকটে নাড়ির টানে গণপরিবহণের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিবহন, পিকাপ ও ট্রাকে বাড়ি ফিরছে ঘুরমুখো মানুষ৷এর ফলে ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। মহাসড়কে কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
জানা গেছে, এ মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের ৬৫ কিলোমিটারে যানজট নিরসনে পুলিশের প্রায় সাড়ে সাতশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের পাশাপাশি মাঠে আছে সেনাবাহিনী ও র্যাব। তবে ট্রাক, পিকআপভ্যান, মোটরসাইকেল ও মুরগির খাঁচার উপর বসে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও ভোগান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকে।মহাসড়কে পুরুষের পাশাপাশি নারী ও শিশুদেরকেও ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।
শনিবার (২৯ মার্চ) মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে৷ গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকে। মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ, জেলা পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। এতো আয়োজনের পরও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ও পরিবহন সংকট কাটিয়ে উঠতে পারছেন না উত্তরের বাড়ি ফেরা মানুষেরা।
কয়েকজন যাত্রী বলেন, মহাসড়কে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছি। কিন্তু যাত্রীবাহী বাস পাচ্ছি না। আবার অনেকেই অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন৷ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাড়িতে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিভিন্ন কারণে মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যানজট নিরসনে এই সড়কে আমাদের প্রায় ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কে গাড়ির অতিরিক্ত চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যানজট নিরসনে পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা কাজ করছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর