প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:১১ পিএম

মীরসরাই উপজেলা জুড়ে চলছে ফসলি জমির মাটি কাটার ধুম। কোথাও দিনে আবার কোথাও রাতে। ইটভাটা মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাটি কাটার এই মহোৎসবে মেতেছেন প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তিরা। এসব মাটি কাটার ফলে আবাদি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে আশেপাশের ফসলি জমিগুলো। এছাড়াও মাটি বহন করা ট্রাকের চাকায় নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক। বর্ষা মৌসুমে চলাচলে দুর্ভোগের আশঙ্কা এলাকাবাসীর। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো ফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
যেসব এলাকায় দিনের বেলা মাটি কাটতে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন, সেসব এলাকায় রাতের আঁধারে মাটি কাটা হয়। তবে এখন বেশির ভাগ এলাকায় রাতেই মাটি কাটা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে সে সময় ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। উপজেলার হিঙ্গুলী, আজম নগর ধুম, নাহের পুর, ইছাখালী, উপজেলার ৮ থেকে ১০ জায়গায় আবাদি জমি পুকুর বানানো হচ্ছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার ২নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের আজম নগর এলাকায় দিন দুপুরে এস্কেভেটার দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মাটি কাটার ফলে ফসলি জমি পুকুর সমান গভীর হয়ে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আজমনগর গ্রামের এক ব্যক্তি বলেন, উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয় আজম নগর গ্রামে মিনহাজ উদ্দিন টিটু নাম এক নেতার নেতৃত্বে মাটি কেটে বিক্রি করছেন।
মিনহাজ উদ্দিন টিটুর কাছে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনে বলেন মাটি কাটার সাথে আমি সংযুক্ত নয়, মাটি কাটা নয় কোন প্রকার অবৈধ ব্যবসার সাথে আমি জড়িত নয়, কেউ যদি ফয়সী জমির মাটি কাটে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।
এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন এর সাথে কথা হলে তিনি স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমাদের যতটুকু সম্ভব হচ্ছে ততটুকু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। জমির শ্রেনী পরির্বতণ করার কারো কোন সুযোগ নাই প্রতিদিন অভিযান করছি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর