| শিরোনাম: |

চাল ও আটা-ময়দায় পুষ্টি উপাদান বা ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন এবং কার্যকর বিধিমালা তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশে ফর্টিফিকেশন অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এফএবি) আয়োজিত ‘কনভেনিং পার্টনারশিপ অন ফুড ফর্টিফিকেশন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, জনগণের কাছে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পৌঁছে দিতে সচেতনতার পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতা অত্যন্ত জরুরি। লবণ ও ভোজ্যতেলে আয়োডিন ও ভিটামিন যুক্ত করার উদ্যোগ সফল হলেও চাল ও আটার ক্ষেত্রে তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
দেশে প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি ৯২ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয় এবং চাহিদা রয়েছে ৩ কোটি ২৫ থেকে ৩ কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন। চালের উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত থাকায় ফর্টিফিকেশন বাস্তবায়নে সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী রূপরেখা প্রণয়ন করা সম্ভব বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, সরকারি বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু সদন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশনে সরবরাহ করা চাল ও আটায় পর্যায়ক্রমে ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।
এ ছাড়া খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কাজের পরিধি ও পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ