প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং আস্থাপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বর্তমান সরকার। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে উপদেষ্টা চীনা রাষ্ট্রদূতকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন এবং জ্ঞান-বিনিময়সহ বহুমুখী খাতে দুই দেশের অংশীদারিত্ব বিস্তৃত হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের ধারাবাহিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন। যৌথ গবেষণা, দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বন্ধুত্ব আরও গভীর করা সম্ভব বলে বৈঠকে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন যে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিনিধিদলের চীন সফর এবং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। দুই দেশের এই সুদৃঢ় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে তিনি 'চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি'র উদ্যোগে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার প্রস্তাব করেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যকার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দলীয় পর্যায়ে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। উক্ত বৈঠকে চীনা দূতাবাসের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি