প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:১৭ পিএম আপডেট: ২০.১১.২০২৫ ৪:৫৯ PM

কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বচওয়ে বাংলাদেশে প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর শুরু করেছেন। চারদিনব্যাপী (২০–২৪ নভেম্বর) সফরে তিনি দেশটিতে শান্তি, স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র, সুশাসন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।
সফরের সময় মহাসচিব অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, হাইকমিশনার ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কমনওয়েলথ সচিবালয় জানায়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এ সফরকে ‘বাংলাদেশের জাতীয় অভিযাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বৈঠকে মহাসচিব কমনওয়েলথের নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা তুলে ধরবেন, যেখানে গণতন্ত্রকে তিনটি মূল স্তম্ভের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদানের উপায় সম্পর্কেও মতামত নেবেন।
সফরের আগে বচওয়ে বাংলাদেশের ভূমিকাকে ‘কমনওয়েলথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য’ হিসেবে অভিহিত করে স্মরণ করান, স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে কমনওয়েলথে যোগ দেয়। তিনি বলেন, “কমনওয়েলথ ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে। দেশের পরবর্তী নির্বাচনের আগে এই সম্পর্ক আরও গুরুত্বপূর্ণ।”
মহাসচিব জানান, অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে বোঝার চেষ্টা করবেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কার্যকর সহায়তার ক্ষেত্র চিহ্নিত করবেন। এছাড়া, প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ অঙ্গীকারের লক্ষ্য।
শার্লি বচওয়ে বাংলাদেশে জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য শুভকামনা জানান এবং গণতান্ত্রিক যাত্রায় কমনওয়েলথের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, “এই সফর বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
সূত্র:বাসস
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে