প্রকাশ: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৩৮ পিএম

সংগৃহীত ছবি
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও টকশো উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশ এখন এক জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এনসিপি গণভোটের সময়সূচি নিয়ে নমনীয়তা দেখিয়েছে—তা আগে হোক বা জাতীয় নির্বাচনের দিনেই হোক। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নির্দেশনা দ্রুত দেখতে চায়। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এমন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা কার—প্রধানমন্ত্রীর নাকি রাষ্ট্রপতির? আরও একটি প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক করিডরে আলোচনায় আছে—দলগুলো যত দাবি তুলুক না কেন, তারা এখনো নির্বাচনী সমঝোতার পথে এগিয়ে যেতে চাইছে।”
এই চেষ্টার ফলাফল শেষ পর্যন্ত কি হবে কেউই বলতে পারেন না। তবে নির্বাচনকে ঘিরে একটা চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে এবং নেপথ্যে থাকা মানুষগুলো বেশ সক্রিয় সেটা গত কিছুদিনের ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে।’
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।
জিল্লুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঘোর অমানিশা।
এই অমানিশার মধ্যেই কেউ কেউ স্বপ্ন দেখছেন। কেউ কেউ নিজেদের শক্তিকে সংহত করার চেষ্টা করছেন। বেশ কিছুদিন বিরতি দিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে কিছু কথাবার্তা আমরা শুনেছি। বিশেষ করে ভারতীয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তিনি একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন যে, অদক্ষ শাসনের কারণেই বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং নেপালের সরকার পরিবর্তন হয়েছে।
কিন্তু শাসনের এই অদক্ষতাটা যদি ভারত আরো আগে বুঝতো সেটা তাদের জন্য এবং বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর হতো।’
জিল্লুর বলেন, ‘গণতন্ত্রের ধারাটা চর্চা করলে আওয়ামী লীগ তার দুরবস্থার মধ্যে ঘুরে দাঁড়াবার একটা চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু অবশ্যই সেই যাত্রা তাদের শুরু করতে হবে অনুসূচনা ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে। যে অন্যায়, অবিচার, অপকর্ম তারা করেছে দল হিসেবে দলের সব নেতাকর্মী তার দায় নেবেন এমনটা আমরা বলি না কিন্তু এই দায় তাদেরকে নিতে হবে।’
জিল্লুর রহমান আরও বলেন, “জামায়াত এখন বেশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে বলছে—জুলাই সনদের বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সংবিধান সংস্কারের আদেশ দিতে হবে। একই সঙ্গে এনসিপিও বিষয়টিতে দ্রুততার দাবি জানিয়েছে। জামায়াত আরও বলছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই গণভোট সম্পন্ন করতে হবে।”