প্রকাশ: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪২ পিএম

সংগৃহীত ছবি
চলমান পুলিশ সংস্কার কার্যক্রমে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ভাগাভাগি করে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আয়ারল্যান্ড। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দায়িত্বশীল ও অধিকারভিত্তিক শাসনব্যবস্থা জোরদারে সহায়তার প্রস্তাবও দিয়েছে দেশটি।
আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতে এ প্রস্তাব দেন আয়ারল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত কেভিন কেলি ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রথম পুলিশ অমবডসম্যান ব্যারোনেস নুয়ালা ও’লোন।
দুই দিনের সফরে ঢাকায় থাকা ব্যারোনেস ও’লোন ১৯৯৮ সালের ‘গুড ফ্রাইডে চুক্তি’র পর সাত বছর উত্তর আয়ারল্যান্ডের পুলিশ ওমবডসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে দীর্ঘ সংঘাত পরবর্তী বাস্তবতায় পুলিশ ব্যবস্থায় জনআস্থার নতুন কাঠামো গড়ে ওঠে।
ব্যারোনেস ও’লোন বলেন, “আয়ারল্যান্ডের সংঘাত-পরবর্তী অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে ধৈর্য, অংশগ্রহণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আমরা এখানে টেকসই পরিবর্তনের বাস্তবসম্মত সময়সীমা নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করতে এসেছি।”
সাক্ষাৎকালে তার সঙ্গে ছিলেন আয়ারল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ইউনিটের পরিচালক ফিয়োনুলা গিলসেনান। বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস আয়ারল্যান্ডের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও দায়বদ্ধ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে আয়ারল্যান্ডের সহায়তাকে মূল্যবান হিসেবে বিবেচনা করি।”
এ সময় তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়া রোধে রাষ্ট্রদূত কেলির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত কেলি বাংলাদেশের সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, উভয় দেশই শান্তি, ন্যায় ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ