প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪২ পিএম আপডেট: ৩১.১০.২০২৫ ১২:৪৩ এএম

ফাইল ছবি
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে আটক করেছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির সারদা থেকে গ্রেপ্তারের সময় রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যান ডিআইজি এহসানুল্লাহ। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উচ্চপর্যায়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মানবতারবিরোধী অপরাধের অভিযোগে র্যাবের আলোচিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনের সহযোগী সিআইডি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউর রহমানকে সিআইডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সিআইডি সূত্র জানায়, দুপুরের দিকে আইসিটির একটি প্রতিনিধির দল সিআইডি ঢাকা মেট্রো অফিস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
এদিকে পুলিশের আরেকটি দল জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় উত্তরা গণহত্যায় জড়িত উত্তরা ডিভিশনের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এডিসি সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্র জানায়, ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসানুল্লাহকে আটক করতে বুধবার সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালায়।
এ সময় একাডেমিতে কর্মরত অবস্থায় তিনি রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যান। পুলিশ একাডেমির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপালকে কয়েক দফা ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতিনিধিরা জেলা পুলিশের সহায়তায় বুধবার ভোর ৬টায় সারদা পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছান। তবে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের পরিচয় যাচাই বা যোগাযোগের সুযোগ না দেওয়ায় ডিআইজি এহসানুল্লাহ বিষয়টি জানতে পেরে পালিয়ে যান। ঘটনাটি দিনভর রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ