প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৪১ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আবু বকর খানের উদ্যোগে ‘ডিপ্রেশন ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ’ বিষয়ক সেমিনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সকাল সাড়ে ১০টায় এই সেমিনার শুরু হয়।
সেমিনারে উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা।
সেমিনারে মাহমুদা হাবিবা বলেন, “আমাদের ২০ কোটি মানুষের দেশে যেখানে সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া দুরূহ, সেখানে একজন সাইকোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়া এতটা সহজ নয় এবং ব্যয়বহুল। তাই আমাদের নিজেদেরকে নিজের জায়গায় কনসার্ন হতে হবে যে কীভাবে এই ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসা যায়। সর্বপ্রথম আমাদের কাছের বন্ধুদের সাথে কষ্টের কথা শেয়ার করতে হবে, তবেই আমরা এটি রিকভার করতে পারবো, আমাদের পাশের জনের খোঁজ খবর রাখতে হবে যেন তারা কোনো কারণে এই সুইসাইডের মতো সাংঘাতিক ব্যাধির এটেম্পট না নেয়।”
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আবু বকর খান বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সর্বদা শিক্ষার্থীবান্ধব কাজে নিজেদের প্রমাণ করেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর থেকে হাজারো সমস্যা নিয়ে ডিপ্রেশনে ভোগে, শেষে কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সেই প্রবণতা প্রতিরোধে আমার এই সেমিনার কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের চাহিদা মোতাবেক এই রকম কাজ আরও করতে চাই এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে চাই।”
সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্লিনিক্যাল সাইকোলোজিস্ট, প্যানেল সাইকোলোজিস্ট ও নেকের সেশন এক্সপার্ট মো. বদিরুজ্জামান সুমন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক, মাহাদী-উল-মোর্শেদ গবেষক ও চেয়ারম্যান, নেক- মাহাবুব নাহিদ।
সেমিনারে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা পরিবার ছেড়ে এ শহরে অনেক কষ্টে দিন কাটাই, কিন্তু আমরা এখানে কাউকে সহজে আপন করে নিতে পারিনা। নানান জটিলতায় দিন কাটাতে হয় আমাদের। এ ধরনের সেমিনারে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি এবং ভুল সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারি। এমন শিক্ষাবান্ধব সেমিনার আমাদের জন্য খুবই হেল্পফুল, আমি চাইবো প্রতিটা রাজনৈতিক দল যেনো এমন শিক্ষার্থী বান্ধব কর্মসূচির আয়োজন করে।”