প্রকাশ: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
নতুন পে স্কেলে ন্যায্য ও বৈষম্যমুক্ত কাঠামো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করতে এবং জীবনধারণের ন্যূনতম চাহিদা পূরণে বেতন কাঠামোতে অন্তত ১:৪ বা ১:৬ অনুপাত নির্ধারণ করতে হবে।
এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য আগামী শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করবে ‘১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরাম’। সংগঠনটি ইতোমধ্যে প্রেস ক্লাবের হলরুম বুক করেছে।
ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যমুক্ত পে স্কেল ঘোষণা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ভাতা পুনর্নির্ধারণ এবং শতভাগ পেনশন চালুর দাবি জানানো হবে। এসব দাবি পূরণের জন্য ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বলেন, “আমাদের মূল দাবি হলো ন্যায্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যমুক্ত পে স্কেল ঘোষণা করা। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত হবে ১:৪, যেখানে সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব থাকবে।”
তিনি আরও জানান, বর্তমান ২০ গ্রেডের কাঠামো ভেঙে ১২ থেকে ১৫ গ্রেডে পুনর্গঠনের প্রস্তাবও উত্থাপন করা হবে।
সরকারি কর্মচারীদের অভিযোগ, বেতন বৈষম্যের কারণেই তাদের দাবি বাস্তবায়নে এত সময় লেগেছে।
তাদের মতে, যদি বৈষম্য না থাকত, তবে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আগেই বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতেন এবং সাধারণ কর্মচারীরা অন্তত আরও দুটি পে স্কেল পেতেন।
তারা বলেন, “বর্তমান কাঠামোয় কর্মকর্তাদের জীবনে তেমন অসুবিধা না হলেও নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের সংসার চালানো এখন রীতিমতো সংগ্রামের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।”