প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫, ১:১৮ পিএম

রৌমারীতে রাস্তা পাকা না হওয়ায় দুর্ভোগে এলাকাবাসী
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তুরা রোড গুচ্ছগ্রাম থেকে চর বামনের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে উত্তরের পাকা রাস্তায় সংযুক্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এখনো পাকা না হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তুরা রোড থেকে চর বামনের চর পর্যন্ত আঞ্চলিক এই রাস্তাটি গত বছর মঙ্গা কর্মসূচির আওতায় আংশিক উঁচুকরণ ও একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও পুরোটা পাকা না করায় বর্ষা মৌসুমে রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। ফলে স্কুল, হাটবাজার ও হাসপাতালে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
গ্রামবাসী জানায়, রাস্তাটির একাংশে জমি ভরাট না করায় তা স্থানীয় জমির মালিকদের দখলে চলে গেছে। এতে রেকর্ডভুক্ত রাস্তাটির অস্তিত্বই হারিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষিজীবী জনগণ তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে গিয়ে বাড়তি ভাড়া গুনতে বাধ্য হচ্ছেন।
চর বামনের চর গ্রামের বাসিন্দা মো. তানভির হোসেন বলেন, আমাদের প্রধান আয়ের উৎস কৃষি। অথচ রাস্তার কারণে হাটে পণ্য নিতে অতিরিক্ত খরচ হয়, বাজারমূল্যও ঠিকমতো পাই না।
এমপি ও জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনের সময় বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে নেই কোনো উদ্যোগ এমন অভিযোগ স্থানীয় মো. জহুরুল ইসলামের।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ বলেন, বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে যায়। শিশু শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে স্কুলে আসে, মোটরসাইকেলও চলতে পারে না। দ্রুত রাস্তাটি পাকা করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।
ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই রাস্তাটি কয়েকটি গ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কৃষকরা বেশি কষ্টে থাকেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মুনছুরুল হক জানান, রাস্তাটি সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজ্জল কুমার হালদার বলেন, রাস্তাটি সম্পর্কে জানানো হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারকে বলেছি। বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএএম