প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ১১:১২ AM আপডেট: ০২.০৮.২০২৫ ১১:১৬ এএম

সংগৃহীত ছবি
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে বেশিরভাগ কূটনৈতিক কর্মীকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে ইসরায়েল। সম্প্রতি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনএসসি) ইসরায়েলি নাগরিকদের জন্য হালনাগাদ করা ভ্রমণ সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা সতর্কতায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ করে ইহুদি ধর্মীয় উৎসব ও শাব্বাত উপলক্ষে আমিরাতে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় আমিরাতে কর্মরত কূটনীতিকদের ঝুঁকির মুখে না ফেলতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে তেলআভিভ।
ইতিমধ্যে আমিরাতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়োসি আব্রাহাম শেলিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে আবুধাবির একটি বারে নারীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ তোলে আমিরাত সরকার, যা কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের শামিল বলে মনে করা হয়।
এ ছাড়া ইরানে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ১২ দিনের বিমান হামলা, গাজায় চলমান অভিযান এবং আন্তর্জাতিক মহলে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার প্রেক্ষাপটে প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কাও বেড়েছে। বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে গণহত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল ও আমিরাত পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে ২০২২ সালে উভয় দেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং ব্যবসা ও পর্যটন খাতে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েন স্পষ্ট। আমিরাত সরকার রাষ্ট্রদূত শেলির বিরুদ্ধে তিনটি বিতর্কিত ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বারে অমর্যাদাকর আচরণ, নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গ।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই