প্রকাশ: শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫, ৮:৫৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি
চোখের ভেতরে বা চারপাশের কোষগুলো যদি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে এবং টিউমার তৈরি করে, তাহলে তা চোখের ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। এই টিউমার কখনো ছোট আকারের হলেও, অনেক সময় মারাত্মক আকার ধারণ করে শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে সময়মতো শনাক্ত হলে চিকিৎসার মাধ্যমে চোখ ও দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা সম্ভব।
চোখের ক্যান্সার অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না। কিন্তু নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করলে অনেক সময় উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই সমস্যাটি শনাক্ত করা যায়। এতে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয় এবং রোগী সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
সাধারণ লক্ষণগুলো কী?
চোখের ক্যান্সার বিভিন্ন উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। যেমন—
১. হঠাৎ ঝাপসা দেখা
২. পাশের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া
৩. বিকৃত বা পুরোপুরি দৃষ্টিশক্তি হারানো
৪. চোখের সামনে আলো ঝলকানি বা ‘ফ্লোটার’ দেখা
এছাড়া, চোখের রং বা পিউপিলের আকারে পরিবর্তন, চোখে ফুলে যাওয়া, লালভাব বা দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি, চোখ নাড়াতে সমস্যা হওয়া এবং চোখ বা পলকের নিচে গাঁট বা গুটি তৈরি হওয়াও চোখের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
কারা বেশি ঝুঁকিতে?
চোখের ক্যান্সার যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেড়ে যায়
১. ৫০ বছরের বেশি বয়সীরা
২. ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে দেখা যায় ‘রেটিনোব্লাস্টোমা’
৩. যাদের ত্বক ফর্সা এবং চোখ নীল বা সবুজ
৪. যাদের জিনগত সমস্যা রয়েছে, যেমন বিএপি১ টিউমার সিনড্রোম
৫. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির অতিরিক্ত সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা
চোখের ক্যান্সার পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও সচেতনতা ও নিয়মিত চোখ পরীক্ষা অনেকটাই ঝুঁকি কমাতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলো বুঝে দ্রুত চিকিৎসকের শরণ নেওয়া এবং চোখে সামান্য অস্বস্তিও অবহেলা না করাই শ্রেয়।
সূত্র: দ্য ওয়াল