প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫, ৪:১১ পিএম আপডেট: ০৮.০৭.২০২৫ ৪:১৪ PM

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দার জানিয়েছেন, গত ১০ মাসে কেএমপি এলাকায় মোট ২৬টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২২টি মামলার রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুটি মামলার তদন্ত এখনো চলছে এবং আরও দুটি নদীতে লাশ ভেসে আসায় সেগুলোর তদন্ত করছে নৌ পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে কেএমপির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি। খুলনার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনার জানান, মাদক একটি ভয়াবহ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে হরিণটানা থানা এলাকা থেকে ১৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে আরও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের সন্ধ্যায় ঘরে ফেরাতে হবে। অযথা আড্ডা বন্ধ করতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।’
ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কমিশনার জানান, খুলনা শহরে প্রতিদিন প্রায় ২০-২২ হাজার ইজিবাইক চলাচল করে, যার ৬০ শতাংশই শহরের বাইরে থেকে আসে। চালকদের অনেকেই ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন না হওয়ায় যানজট তৈরি হয়। ইতিমধ্যে ছয় হাজার ৫০০ জন ইজিবাইক চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বাকি চালকদেরও আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, উপ-কমিশনার মো. তাজুল ইসলাম, আবু তারেক, আতিকুর রহমান, সুদর্শন কুমার রায় প্রমুখ।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম