প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫, ৮:২১ পিএম আপডেট: ০৩.০৬.২০২৫ ৮:৩১ PM

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরের ভেতরেই একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। কারণ এদেশের মানুষ দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে অপেক্ষা করছে, তারা ভোট দিতে চায়। তারা তাদের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান ১ নং কাঁচা ও সুপার মার্কেট দোকান মালিক এবং ব্যবসায়ী সমিতি আয়োজিত মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকীর আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি যেন ব্যবসা বাণিজ্যে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি না হয়। কিন্তু পারিনি তার কারণ হচ্ছে, এই অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায়নি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চাঁদাবাজ নিমূল করা হবে। আপনারা স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারবেন।
সংস্কারের কথা বলে আর কালক্ষেপণ করবেন না- উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ তার নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে যে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করবে, সেই সরকারই দেশকে পরিপূর্ণ সংস্কার করতে পারবে। দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যা করেছে আমরা তা করবো না। আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করেছে বলেই তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। আমরা জনগণের কাছে যাবো, তাদেরকে সাথে নিয়েই কাজ করবো। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।
আলহাজ্ব এম এ কাইয়ুম বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি একটি আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গেছেন। জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপিকে ধ্বংস করতে বারবার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং এখনো চলছে। কিন্তু বিএনপির নেত্রী পালিয়ে যাননি, আপস করেননি। এই দলের নেতা দূরদেশ থেকেও জনগণকে সংগঠিত করছেন। বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা দিয়ে কিছু হবে না।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব এ জি এম শামছুল হক, নগর বিএনপির সদস্য ফারুক ভুঁইয়া, ভিপি শাহীন, হাজী হারুনও সুজনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর