প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:০৫ পিএম

মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রর্বতক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯ তম জন্মবার্ষিকী ও জিয়া শিশু কিশোর মেলার ১৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে র্যালী করবে জিয়া শিশু কিশোর মেলা। শনিবার সকাল ১০ টায় র্যালীটি বিএনপি নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শিশু একাডেমী অভিমুখে রওনা করবে।
র্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
র্যালীতে সবাইকে উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়ে জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন আত্ননির্ভরশীল রাষ্ট্রের পথ প্রদর্শক। তিনি ছিলেন দেশপ্রেমিক মহানায়ক। স্বাধীনতার ঘোষক। আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। এদেশের শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যৎ জীবনকে গড়ে তোলার জন্যই বাংলাদেশে প্রথম শিশু একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শিশু একাডেমির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিনটি ছিল শিশু-কিশোরীদের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশাল সামিয়ানার নিচে ছিল মঞ্চ। মঞ্চের একপাশে ছিল একদল শিশু-কিশোর ক্ষুদে গায়ক গায়িকার দল। অন্যপাশে ছিল ক্ষুদে বাদকের ব্যান্ড পার্টি। সেদিন ছিল প্রবল বৃষ্টি। প্রেসিডেন্ট জিয়া মঞ্চে উঠার সাথে সাথে সম্মিলিত কন্ঠে যে গানটি ধরেছিল, তা ছিল আমাদের জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রণ-সঙ্গীত। “চল চল চল, ঊর্ধ্ব গগণে বাজে মাদল।
তিনি আরো বলেন, ওইদিন জিয়াউর রহমান উৎফুল্ল হয়ে ক্ষুদে শিশু-কিশোর শিল্পীদের মাঝে গিয়ে তাদের মধ্যমণি হয়ে মিশে গিয়েছিলেন। দোহারীর মত গানটি জিয়াউর রহমানও গেয়ে উঠেছিলেন।
তিনি বলেন, বগুড়ার পবিত্র ভূমিতে দেশের মহানায়ক, ক্ষণজন্মা পুরুষ জিয়াউর রহমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আমরা তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তার অবদানকে এ দেশের সর্বস্তরের মানুষ আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর