প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:১৬ পিএম

দীর্ঘদিন দুই বছর বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। গত ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৪৩ টন চাল আমদানি হয়েছে এ বন্দর দিয়ে।
ভোমরা বন্দরে চাল আমদানির প্রভাব এখনো সাতক্ষীরার চালের বাজারগুলোতে পড়েনি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
সাতক্ষীরার ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে চলতি অর্থবছরের ১৩ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে বিভিন্ন প্রচার চাল আমদানি হয় ৩৫ হাজার ৪৩ টন। যার আমদানি মুল্য প্রায় ৩২ কোটি টাকা । আমদানিকৃত এসব চালের মধ্যে রয়েছে চিকন বাসমতি, মিনিকেট ও মোটা স্বর্না এবং জামাইবাবু জাতের চাল। তবে সূত্রটি জানায় গত অর্থবছর এ সময় কোনো চাল আমদানি হয়নি এ বন্দর দিয়ে।
উত্তরবঙ্গের চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোনালী এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী কামাল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত সরকার চাল রপ্তানি শুরু করার পর থেকে অন্যান্য বন্দরেন পাশাপাশি ভোমরা বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করছে তার প্রতিষ্ঠানটি। তবে গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে কেবল আমদানি শুরু হয়েছে। এখনো তেমন প্রভাব পড়তে শুরু হয়নি দেশী চালের বাজারগুলোতে।
সাতক্ষীরা জেলা সদরের বৃহৎ মোকাম সুলতানপুর বড় বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা জানান গতকাল তিনি চিকন বাসমতি চাল প্রতি কেজি ৭৮ টাকা, চিকন আটাশ জাতের চাল কেজি প্রতি ৫৮ থেকে ৫৯ টাকা এবং মোটা জাতের চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করেন। এছাড়া আমদানিকৃত মোটা স্বর্ণা ও জামাইবাবু জাতের চাল ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। তবে ভারতীয় চাল আমদানিতে দেশী চালের বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বলে জানান তিনি।
ভোমরা স্থল শুল্ক স্টেশন রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শফিউল বসর জানান, ভোমরা স্থলবন্দর গত ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১১ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯শত ৬৯টি গাড়িতে চাল আমদানি করা হয়েছে,যার পরিমান ৩৫ হাজার ৪৩ টন চাল আমদানি হয়েছে, আর গভমেন্ট যেহেতু চালের উপর ডিউটি ফ্রী করে দিয়েছে যার জন্য এখানে কোন রাজস্ব আদাই হয়নি।
সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কৃষি বিপনন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান বর্তমান সাতক্ষীরার চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরুর কারণে শীঘ্রই চালের বাজার কমতির দিকে আসবে বলে আশা করছেন তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর