প্রকাশ: শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৪:৪১ পিএম
নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়েই চলছে মাদক বেচাকেনা ও সেবন। এতে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ। পাংশায় মাদক বিরোধী অভিযান চলমান থাকলেও মাদক বেচাকেনা, সেবন ও পাচার বাড়ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় কিছুতেই কমছে না মাদক বেচাকেনা ও সেবন। একটা যুদ্ধে যা করতে পারে না এই মাদক সেটা করতে পারে। যুব সমাজকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে এই মাদক। শুধু পাংশা শহরে না, পাংশা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এই মাদক ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পরছে। দিন দিন বেড়েই চলছে মাদক বেচাকেনা ও সেবন। এতে করে যেমন যুব সমাজ ধ্বংসের পথে, তেমনি সমাজও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
মাদকের বিশাল ছোবল শেষ করে দিচ্ছে তারুণ্যের শক্তি ও সম্ভাবনা। সর্বনাশা মাদক ধ্বংস করে একটি মানুষের শরীর, মন, জ্ঞানবিবেক ও তার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা তার পরিবারের সব স্বপ্নকে এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে। শুধু পরিবারকে নয়, মাদকের কালো থাবা ধ্বংস করে একটি সমাজকে, একটি জাতিকে এবং পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে এটি বৃহৎ আকার ধারণ করে একটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। তরুণ তাজা প্রাণের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়ায় পিছিয়ে পড়ছে সমাজ। বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন পথে, মাদক ঢুকে পড়ছে আমাদের সমাজে।
আর এই মাদক সমাজে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। অনেক সময় দেখা যায় নেশার টাকার জন্য অনেকেই চুরি ছিনতাই অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। পারিবারিক ঝামেলা সৃষ্টি হয়। স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা মাদকে বেশি আসক্ত হচ্ছে। এতে করে যেমন তরুণ সমাজ নষ্ট হচ্ছে, পাশাপাশি দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎগুলোও নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, মাদকাসক্ত হয়ে এলাকার যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে। তারা মাদকাসক্ত হয়ে নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে সমাজে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত এই মাদকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে এই সমাজ খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে থেকে মাদকদ্রব্য ও মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকাও অপরিসীম।
স্থানীয়রা আরো বলেন, এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তারা কঠোরভাবে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে মাদক নির্মুল করা সম্ভব।
স্বদেশপ্রতিদিন/এমএস