প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৮ পিএম

৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘ম্যাগনাকার্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারুণ্যের সব সম্ভাবনা বিকাশে প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালে ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সবার একটাই গর্বিত পরিচয়—আমরা বাংলাদেশি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণের দিন। যতবার দেশ সেই পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। তিনি ঐতিহাসিক এ দিনের নায়ক হিসেবে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার কথা উল্লেখ করেন এবং দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি