মঙ্গলবার ● ১৩ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলায় জাহাজডুবি, নিখোঁজ ১১ নাবিক      ● এশিয়ায় ১০ বছরে ১৫ কোটি নতুন চাকরির চ্যালেঞ্জ      ● ডেঙ্গু সচেতনতায় পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      ● সমুদ্রবিজ্ঞান গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাবি ও উলংগং বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈঠক      ● অন্য ধর্মের উৎসবে মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানানো কি জায়েজ?      ● মোবাইলে ছোট ভিডিও বানিয়েই বছরে আয় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা      ● ফেব্রুয়ারির কত তারিখে শুরু হতে পারে ২০২৭ সালের রমজান?      ● যুদ্ধ-জ্বালানির ধাক্কায় চাপে বিশ্ব অর্থনীতি      ● রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড      ● চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনা: প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ      ● অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন       ● শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়      
যুদ্ধ-জ্বালানির ধাক্কায় চাপে বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যাংকক থেকে মানিক মুনতাসির
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম আপডেট: ১৩.১০.২০২৬ ৫:০৫ PM

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও সরকারি ঋণের চাপ—বহুমুখী সংকটের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফেরানোর চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভা। গতকাল সোমবার শুরু হওয়া এ সম্মেলন চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন অর্থায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলার বিষয়গুলো এতে গুরুত্ব পাচ্ছে।

যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে। জ্বালানি ও সারের দাম বাড়লে পরিবহন, শিল্প উৎপাদন ও কৃষির ব্যয় বাড়তে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হওয়ার পাশাপাশি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর সঙ্গে উচ্চ সুদ ও ঋণ পরিশোধের ব্যয় যুক্ত হওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

যুদ্ধ, জ্বালানি ও ঋণের চাপ

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অন্যতম উদ্বেগ। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল ও জ্বালানি এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদায় প্রভাব পড়তে পারে।

জ্বালানির পাশাপাশি সারের দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন ব্যয় ও খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিও বাড়ে। যুদ্ধের অনিশ্চয়তার সঙ্গে উচ্চ সুদ ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ যুক্ত হওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা, উন্নয়ন অর্থায়ন বাড়ানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনীতিগুলোর সক্ষমতা জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ।গতকাল সম্মেলনের প্রথম দিনে এসব বিষয়ে পৃথক পৃথকভাবে আলোচনা হয়েছে। 

এআইয়ে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা: বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি করবে না, বরং দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করতে পারে। এ জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ জরুরি।

বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারযোগ্য এআই প্রযুক্তি। কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও স্বনিয়োজিত মানুষের কাছে এ প্রযুক্তি পৌঁছানো গেলে ব্যবসার হিসাব সংরক্ষণ, পণ্যের চাহিদা বিশ্লেষণ, গ্রাহকসেবা ও কৃষি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়তে পারে।

তবে এআইয়ের কারণে কাজের ধরন বদলে যাওয়ায় শ্রমবাজারে নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরি, কর্মীদের দক্ষতা এবং প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় ভাষায় প্রযুক্তি, সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, ডিজিটাল অবকাঠামো ও কর্মীদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি।

উন্নয়ন অর্থায়নে বেসরকারি পুঁজি

উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থান খাতে অর্থায়ন বাড়াতে সরকারি সম্পদের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও দাতব্য তহবিল কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। উন্নয়ন চাহিদা বাড়লেও সরকারি অর্থের ওপর চাপ থাকায় বেসরকারি ও দাতব্য সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পানির মতো মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদনমুখী শিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও তৈরি হবে।

জ্বালানি ব্যয়ের চাপ সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ

বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং একটি কাঠামোগত চুক্তি নিয়ে কাজ এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে বাংলাদেশের আর্থিক সুরক্ষা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংক ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা শুধু বিদ্যমান তহবিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায়ও সহযোগিতা প্রয়োজন। দুই পক্ষের অংশীদারত্ব আরও কার্যকর করা এবং সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে চলমান উদ্যোগের সমন্বয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, কাঠামোগত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা ও প্রক্রিয়াগত কাজ চলছে। বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি; আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সায়, বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ

অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, কর আদায় বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের নীতিগত মিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল তিতুমীর।

সোমবার ব্যাংককে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কর আদায় বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা ও রাজস্ব আহরণ বাড়ানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে সরকার।

উপদেষ্টা বলেন, সংস্কারের দায়িত্ব ও মালিকানা সরকারের হাতে থাকলে তা বাস্তবায়ন এবং টেকসই করার সুযোগ বাড়বে। ব্যাংক খাতের অনিয়মের প্রভাব কাটিয়ে আস্থা ফেরানো, কর অব্যাহতি ও অনিয়ম কমানো এবং সরকারের রাজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পুনঃঅর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার কথা জানান তিনি।

বন্ধ কারখানা চালু ও কর্মসংস্থানে জোর

বন্ধ কলকারখানা চালু, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রাশেদ আল তিতুমীর। তাঁর মতে, শিক্ষিত ও তরুণ বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অনেক কলকারখানা বন্ধ থাকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় উৎপাদন বাড়ানো, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

জ্বালানি ব্যয়ের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কমানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিতে পরিবার কার্ডের মতো কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা।

বন্ধ কারখানা চালু ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বিশেষ অর্থায়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি সাত শতাংশ ঋণাত্মক সুদে অর্থায়নের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে এ ব্যবস্থার প্রকৃত অর্থ, সুবিধাভোগী, শর্ত ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

বিদেশি বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক বাণিজ্যে নজর

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা। থাইল্যান্ডের সঙ্গে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফল সংরক্ষণ, হালাল খাদ্যপণ্য এবং চট্টগ্রাম ও রেনং বন্দরের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।

থাই চেম্বারের সঙ্গে বৈঠকে কৃষিজাত পণ্য, ফল, দুগ্ধজাত পণ্য ও হালাল খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। আম, কাঁঠাল ও লিচুর মতো মৌসুমি ফল সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে কৃষকের আয়, শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

চীন, জাপানের টয়োটা ও মারুবেনি করপোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্লাগ অ্যান্ড প্লের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা। এ ছাড়া আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে থাইল্যান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাব্য সুবিধা কাজে লাগানোর বিষয়েও আগ্রহ রয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। এডিবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশে পাঁচ বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। এটি এককালীন অনুদান নয়, বরং পরিকল্পিত উন্নয়ন অর্থায়নের অংশ।

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা, বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংককের সম্মেলনে উন্নয়ন অর্থায়ন ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ব্যাংক খাতে সুশাসন, রাজস্ব সংস্কার, সামাজিক সুরক্ষা, শিল্পায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগের উদ্যোগ বাস্তবায়নও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।




স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close