বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      মিছিলের চেষ্টা, ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মী আটক      এনসিপি নেতাদের গণধোলাই দিতে হবে: এমদাদ চৌধুরী      ৬৮ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি      ৪২ বোতল বিদেশি মদসহ আটক ৩      বিগত সরকারের সময়ে কুইক রেন্টালের নামে লুটপাট হয়েছে : ড. এম এ কাইয়ুম      আজ জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী       নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোট নয়, জানুয়ারিতে স্থানীয় নির্বাচন: ইসি      বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম      ‘বাকেরের ফাঁসি’ ঠেকাতে রাস্তায় নেমেছিল মানুষ      মানুষ ও প্রাণীর নীরব বন্ধনের গল্প ‘হার্ট অব দ্য বিস্ট’-এ      শুধু শিক্ষিত হলেই হবে না, দায়িত্বশীল হতে হবে: ডেপুটি স্পিকার      
সব পোশাকের সঙ্গে মানাবে যে ঘড়ি, বেছে নিতে পারেন এই ৫ স্টাইল
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম

সকালে বের হওয়ার আগে পোশাক বেছে নেওয়া হয়ে গেছে। চুলও মোটামুটি গুছানো। এবার হাতে ঘড়ি পরার পালা। কিন্তু আলমারি খুলতেই দেখা গেল—একটি ঘড়ি অফিসের পোশাকের সঙ্গে মানায়, অন্যটি জিনস-টি-শার্টের সঙ্গে ভালো লাগে, আবার আরেকটি একটু আনুষ্ঠানিক সাজের জন্য উপযুক্ত।

তখন মনে হতেই পারে, সব ধরনের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়—এমন একটি ঘড়ি থাকলেই তো হয়।

আসলে প্রতিটি পোশাকের জন্য আলাদা ঘড়ি রাখার প্রয়োজন নেই। বরং এমন একটি ঘড়ি বেছে নেওয়া যায়, যেটি অফিসের পোশাক, ক্যাজুয়াল সাজ, জিনস, কুর্তা কিংবা কিছুটা আনুষ্ঠানিক পোশাক—সবকিছুর সঙ্গেই সহজে মানিয়ে যায়।

তবে এমন ঘড়ি বাছাই করা সহজ নয়। কোনো ঘড়ি দেখতে আকর্ষণীয় হলেও সেটি অফিসের পোশাকের সঙ্গে অতিরিক্ত ভারী মনে হতে পারে। আবার বড় ডায়ালের ঘড়ি ছোট কবজিতে বেমানান দেখাতে পারে। একইভাবে খুব ছোট বা পাতলা নকশার ঘড়ি ক্যাজুয়াল পোশাকের সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে।

এই জায়গাতেই কাজে আসে মিনিমালিস্ট ঘড়ি। মিনিমালিস্ট মানেই একেবারে সাদামাটা বা ছোট ঘড়ি নয়। বরং এমন নকশা, যা নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখে, কিন্তু পুরো সাজের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে না।

গেস জিডব্লিউ০৩৯৯এল৩: স্টাইলে পরিমিতি

যারা একেবারে সাধারণ ঘড়ি পছন্দ করেন না, আবার খুব বেশি ঝলমলে কিছু পরতেও চান না, তাদের জন্য গেসের এই ধরনের ডিজাইন আকর্ষণীয় হতে পারে।

বেইজ বা শ্যাম্পেন রঙের ডায়াল এবং কালো লেদার স্ট্র্যাপের সমন্বয় ঘড়িটিকে পরিপাটি ও স্টাইলিশ করে তুলেছে। সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট, জিনস কিংবা নিরপেক্ষ রঙের পোশাকের সঙ্গে এটি মানিয়ে যেতে পারে। সাধারণ কুর্তার সঙ্গেও এমন ঘড়ি পরা যায়।

অফিসের ব্যস্ত দিন থেকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা—দুই ধরনের পরিবেশেই এ ধরনের ঘড়ি ব্যবহার করা সম্ভব।

তবে যারা একেবারে সরল নকশার ঘড়ি চান, তাদের কাছে এটি কিছুটা বেশি সাজানো মনে হতে পারে।

টাইমেক্স ক্লাসিকস: চিরচেনা ক্লাসিক ডিজাইন

কিছু নকশার আবেদন সময়ের সঙ্গে খুব বেশি বদলায় না। গোল ডায়াল ও লেদার স্ট্র্যাপের ক্লাসিক ঘড়ি তারই উদাহরণ।

টাইমেক্স ক্লাসিকসের এ ধরনের ঘড়ি অফিসের পোশাক থেকে শুরু করে জিনস, শার্ট কিংবা কিছুটা আনুষ্ঠানিক সাজ—বিভিন্ন ধরনের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়।

এ ধরনের ঘড়ির বড় সুবিধা হলো, এটি নিয়ে খুব বেশি ভাবতে হয় না। পোশাকের সঙ্গে হাতে পরলেই সাজ অনেকটা সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

যারা প্রতিদিন ঘড়ি পরিবর্তন করতে চান না, তাদের জন্য ক্লাসিক ডিজাইন ব্যবহারিক হতে পারে। তবে যারা আধুনিক বা নজরকাড়া নকশা পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি কিছুটা সাধারণ মনে হতে পারে।

টাইটান ওয়ার্কওয়্যার আরবান এজ: অফিসের জন্য পরিপাটি

কর্মক্ষেত্রে পোশাকের সঙ্গে ঘড়ির সামঞ্জস্যও গুরুত্বপূর্ণ। খুব বেশি ক্যাজুয়াল ঘড়ি যেমন ফরমাল পোশাকের সঙ্গে বেমানান হতে পারে, তেমনি অতিরিক্ত জমকালো ঘড়িও প্রতিদিনের অফিসের সাজে ঠিক মানিয়ে নাও যেতে পারে।

টাইটান ওয়ার্কওয়্যার আরবান এজ সেই মাঝামাঝি জায়গাটি ধরে। রুপালি ডায়াল ও কালো লেদার স্ট্র্যাপের সমন্বয় ঘড়িটিকে পেশাদার ও পরিপাটি চেহারা দেয়।

শার্ট, ট্রাউজার, ব্লেজারসহ বিভিন্ন কাঠামোবদ্ধ পোশাকের সঙ্গে এটি মানাতে পারে। তুলনামূলক বড় ডায়াল হওয়ায় কবজিতে এর উপস্থিতিও স্পষ্ট।

তবে ছোট কবজির ক্ষেত্রে বড় ডায়াল কিছুটা ভারী দেখাতে পারে। তাই কেনার আগে কবজির সঙ্গে ঘড়িটির অনুপাতও বিবেচনা করা জরুরি।

ক্যাসিও ভিনটেজ এ-১৫৮ডব্লিউএ-১কিউ: রেট্রো লুকে আলাদা

মিনিমালিস্ট ঘড়ি মানেই শুধু ক্লাসিক অ্যানালগ নকশা নয়। ক্যাসিওর এই মডেলটি তার ভালো উদাহরণ।

আয়তাকার ডিজিটাল ডায়াল ও রুপালি মেটাল স্ট্র্যাপের কারণে এতে রয়েছে রেট্রো আবহ। জিনস, টি-শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট কিংবা স্নিকার্সের সঙ্গে এটি স্বাভাবিকভাবেই মানিয়ে যেতে পারে।

যারা পোশাকে একটু আলাদা ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে চান, তাদের জন্য এই ধরনের ঘড়ি ছোট্ট একটি স্টাইল স্টেটমেন্ট হতে পারে।

তবে আনুষ্ঠানিক পোশাকের সঙ্গে এটি লেদার স্ট্র্যাপের ক্লাসিক ঘড়ির মতো সহজে মানিয়ে নাও যেতে পারে।

ফসিল হারলো: ঘড়ি যখন অলংকারের মতো

ঘড়ি শুধু সময় দেখার যন্ত্র নয়, অনেকের কাছে এটি সাজেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফসিল হারলো সেই দিকটিই সামনে আনে।

ছোট কেস, ক্রিম রঙের ডায়াল, গোল্ড-টোন কেস ও বাদামি লেদার স্ট্র্যাপ—সব মিলিয়ে ঘড়িটিতে একটি নরম, পরিপাটি ও কিছুটা অলংকারের মতো আবহ তৈরি হয়েছে।

ড্রেস, স্কার্ট, ব্লাউজ কিংবা পরিপাটি অফিস পোশাকের সঙ্গে এ ধরনের ঘড়ি মানিয়ে যেতে পারে। যারা কবজিতে বড় ঘড়ির বদলে ছোট ও সূক্ষ্ম নকশা পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আকর্ষণীয় হতে পারে।

তবে বড় ও চোখে পড়ার মতো ঘড়ি পছন্দ করেন এমন ব্যক্তিদের কাছে এটি কিছুটা ছোট মনে হতে পারে।

মিনিমালিস্ট ঘড়ি বাছবেন কীভাবে?

শুধু ছবিতে সুন্দর দেখাচ্ছে বলেই ঘড়ি কেনা ঠিক নয়। নিজের পোশাক, কবজির আকার ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে ঘড়িটি কতটা মানাবে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমেই ভাবুন, ঘড়িটি অন্তত তিন ধরনের পোশাকের সঙ্গে পরা যাবে কি না। শুধু একটি বিশেষ পোশাকের সঙ্গে ভালো লাগলে সেটি হয়তো প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য খুব একটা কার্যকর হবে না।

এরপর নজর দিন ঘড়ির আকারে। ছোট ঘড়ি মানেই বেশি সুন্দর—এমন কোনো নিয়ম নেই। কবজির আকারের সঙ্গে ডায়াল ও কেসের অনুপাতও গুরুত্বপূর্ণ।

স্ট্র্যাপের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। লেদার স্ট্র্যাপ সাধারণত ঘড়িকে ক্লাসিক ও পরিপাটি চেহারা দেয়। অন্যদিকে মেটাল স্ট্র্যাপে আধুনিক বা রেট্রো আবহ তৈরি হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ঘড়িটি যেন পোশাকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা না করে। একটি ভালো মিনিমালিস্ট ঘড়ি সাজকে সম্পূর্ণ করবে, কিন্তু পুরো সাজের মনোযোগ নিজের দিকে টেনে নেবে না।

শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো ঘড়ি সেটি নয়, যেটি শুধু বাক্সে দেখতে সুন্দর। বরং এমন ঘড়িই বেশি ব্যবহারযোগ্য, যেটি প্রতিদিন পরতে ভালো লাগে এবং অফিসের শার্ট থেকে ছুটির দিনের জিনস—বিভিন্ন ধরনের পোশাকের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যায়।






স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি


আরও সংবাদ   বিষয়:  #ঘড়ি #হাতঘড়ি #মিনিমালিস্টঘড়ি #ফ্যাশন #স্টাইল #ফ্যাশনটিপস #পুরুষেরফ্যাশন #নারীরফ্যাশন #অফিসলুক #ক্যাজুয়াললুক #ঘড়িরস্টাইল #লাইফস্টাইল  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close