প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম

মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে দেওয়া যেকোনো ইতিবাচক প্রস্তাব বা পরামর্শ পর্যালোচনা করবে আইন মন্ত্রণালয়। দেশের জন্য কল্যাণকর হলে সেসব প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর স্বাধীনভাবে তদারকির বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ছয় মাসে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) মামলাগুলোও স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে যেসব ইতিবাচক প্রস্তাব বা পরামর্শ দেওয়া হবে, সেগুলো আইন মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যালোচনার পর কোনো প্রস্তাব দেশের জন্য ভালো ও উপকারী হিসেবে বিবেচিত হলে তা অবশ্যই গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ জাতিসংঘের সুপারিশগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান না করে দেশের আইন ও স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, সাংবাদিকরা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চান।
জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কাছে এখনো কোনো তথ্য নেই। বাংলাদেশ থেকে কোনো প্রতিনিধি দল ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিলে তা পরে জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান এখন পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি