প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:০৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ভূমিকম্পের মাত্রা বিবেচনায় হতাহতের সংখ্যা কিছুটা বেশি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল কাছাকাছি হওয়ায় এ পরিস্থিতি ঘটতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের দেখার সময় তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ভূমিকম্পের ঘটনায় আহতদের বেশিরভাগেরই ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হয়েছে।
এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। একইসঙ্গে আহতদের চিকিৎসায় যেন কোনো ত্রুটি না হয় সে বিষয়ে সরকারি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান নূরজাহান বেগম।
এর আগে, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদীতে।
ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ঢাকায় তিনজন, নারায়ণগঞ্জে একজন এবং নরসিংদীতে ২ জন রয়েছেন।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির বলেছেন, ঢাকা এবং এর আশপাশে বিগত কয়েক দশকে সংঘটিত হওয়া ভূমিকম্পের মধ্যে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সর্বোচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প।
তিনি বলেন, যেকোনো সময় বাংলাদেশে আরও বড় ভূমিকম্প হতে পারে। ঠিক কবে হবে সেটা আমরা বলতে পারি না।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ হুমায়ুন আখতার বলেন, ২০০৩ সালে রাঙ্গামাটিতে ভারত সীমান্তের কাছাকাছি বরকল ইউনিয়নে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এটিও অনেক শক্তিশালী ছিল। তবে ১৯১৮ সালে দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা বারবার সরকারের প্রতি বলেছি যে ভূমিকম্পে মহড়ার কোনো বিকল্প নেই। সরকার ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য কোটি কোটি টাকার বাজেট রাখে, যা থেকে দুর্নীতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এর যথাযথ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ