প্রকাশ: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:৪১ পিএম

দাম নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও বাজারে ইলিশের চড়া দাম কমাতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫’ ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইলিশের প্রাপ্যতা, মূল্য ও সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য।
মৎস্য উপদেষ্টা জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতি কেজি ইলিশের রপ্তানি মূল্য ১২.৫০ ডলার নির্ধারণ করেছে। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ অনুযায়ী ডলারের ক্রয়মূল্য ছিল ১২১.৭২ টাকা। এর ভিত্তিতে ৬১,৪৩৮ কেজি ইলিশের বাজারমূল্য দাঁড়াচ্ছে ১৯ কোটি ৩৯ লাখ ৭ হাজার ১১৭ টাকা।
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১৮ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ২২.২৬ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। বাংলাদেশে বাজারমূল্য বেশি হলেও রপ্তানির তুলনায় কম হওয়ায় রপ্তানিকারকরা যথাযথ লাভ করতে পারছেন না।
তিনি বলেন, “শুক্রবার পর্যন্ত দাম তেমন কমেনি। ঢাকায় ৪০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে ১,৩৫০ টাকায়। ৭০০-৯০০ গ্রামের দাম ১,৪০০ থেকে ১,৭০০ টাকা, আর ৯০০ গ্রামের ওপরে প্রতি কেজি ১,৮০০ থেকে ২,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।”
ফরিদা আখতার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যাতে সাশ্রয়ী দামে ইলিশ খেতে পারে, সে জন্য গবেষণা চালানো হচ্ছে। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ছাড়া দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; আরও অন্যান্য কারণও আছে যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাজারে ইলিশের দাম না কমা আমারও কষ্টের কারণ। আড়তদারদের মুনাফা কমানোর জন্য অনুরোধ করেছি। সিটি কর্পোরেশনকে টোল না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্যতার বিষয়টি বড় কারণ। কিছু জায়গায় মজুতের অভিযোগ আছে কিনা তাও আমরা দেখবো।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ