প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:০১ পিএম

সংগৃহীত ছবি
অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনকারী দলের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যিনি, তার জন্য নতুন বাসভবন ঠিক করা হয়েছে। এই বাসভবন অবস্থিত হবে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার ভেতরে।
সরকার সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করে তা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে রূপ দেওয়া হবে। দুই ভবনের মধ্যে যাতায়াতের জন্য একটি দুই স্তরবিশিষ্ট করিডর নির্মাণ করা হবে।
এর আগে আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কারণে গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুর হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই জাদুঘরে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনকালের ঘটনা ঐতিহাসিক তথ্য আকারে উপস্থাপন করা হবে।
সরকার-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা যাতে নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে অবস্থান করতে পারেন, তার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি বাসভবনের জায়গা ঠিক করেছে। প্রথমে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা এবং হেয়ার রোডের বাংলোগুলো বিবেচনা করা হলেও, পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকারি একটি প্রতিনিধিদল ভবন দুটি পরিদর্শন করে। এতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, প্রধান উপদেষ্টার সামরিক সচিব, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছিলেন। ২৩ সেপ্টেম্বরও নিরাপত্তা বাহিনী ভবন ও আশপাশ পরিদর্শন করেছে।
উল্লেখ্য, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের জন্য নির্ধারিত দুটি ভবন জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে, আসাদ গেটের দিকে পাশাপাশি অবস্থিত। দুটি ভবনই দোতলা এবং একই নকশায় তৈরি। চারপাশে সীমানাপ্রাচীর এবং সামনে খোলা জায়গা ও বাগান রয়েছে।
সূত্র- যুগান্তর