প্রকাশ: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৩২ পিএম

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রথম দফায় নাকচ হওয়ার পরও ভবিষ্যৎ মন্ত্রীদের জন্য অতিরিক্ত দামে বিলাসবহুল গাড়ি কেনার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিআগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের কেনাকাটার পেছনের কারণ অনুসন্ধান জরুরি।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মন্ত্রীদের পরিবহন সুবিধা নিয়ে ইতোমধ্যেই আইনে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে। সেখানে হঠাৎ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কেন আইন বহির্ভূতভাবে ভবিষ্যৎ মন্ত্রীদের জন্য বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার কেনার উদ্যোগ নিয়েছে, তা বোধগম্য নয়।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেয়, তবে কোন যুক্তিতে এ প্রাধান্য দিল? পরবর্তী সরকারের মন্ত্রীদের কাছে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য হবে, তার নিশ্চয়তা কোথায়? ব্যয় সংকোচনের ঘোষণার পরও কেন সরকার এমন স্ববিরোধী পথে যাচ্ছে?
টিআইবির মতে, এই প্রস্তাব এক শ্রেণির আমলাদের তোষামোদ ও ব্যক্তিস্বার্থে প্রভাব বিস্তারের চর্চারই পুনরাবৃত্তি, যা বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের আমলে স্বাভাবিকতায় রূপ নিয়েছিল।
ড. জামান বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা বিলাসবহুল গাড়ি অব্যবহৃত অবস্থায় কমদামে পাওয়া যাচ্ছে। অথচ ‘বিদ্যমান গাড়ি দিয়ে নির্বাচনী এলাকা সফর করা কষ্টসাধ্য হবে’—এই যুক্তি দেখিয়ে নতুন গাড়ি কেনার প্রস্তাব অত্যন্ত অবিবেচনাপ্রসূত ও অগ্রহণযোগ্য।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, অতিউৎসাহী আমলাদের এমন তোষণমূলক আচরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ভবিষ্যৎ মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি কেনার প্রস্তাব বাতিল করে বিষয়টি পরবর্তী সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য স্থগিত রাখা উচিত।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর