প্রকাশ: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৫৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
বর্ষাকাল শেষ হলেও বৃষ্টি এখনো অনেক এলাকায় আছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকে, ভেজা কাপড় ও জুতা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। ফলে সর্দি, ফ্লু ও হাঁপানির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ আর্দ্রতা হজমকে ধীর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে। তাই এই সময়ে সঠিক খাবার খাওয়া এবং ক্ষতিকারক খাবার এড়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১. মৌসুমি ফল
মৌসুমি ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে আসা রোগের ঝুঁকি কমায়। তবে পানি সমৃদ্ধ খুব ঠাণ্ডা ফল এড়ানো উচিত, কারণ এগুলো ঠান্ডা লাগার কারণ হতে পারে।
২. স্যুপ এবং চা
সবজি ও ডালের স্যুপ শ্বাসযন্ত্রের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চা গলার আরাম দেয় এবং পেটের জন্যও উপকারী। নিয়মিত স্যুপ ও চা খেলে অ্যালার্জি কমে।
৩. বাটারমিল্ক এবং দই
দুধের বদলে দই বা বাটারমিল্ক খাওয়া ভালো। দই ও বাটারমিল্কে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থাকে যা হজমে সাহায্য করে। অপরিশোধিত দুধে রোগজীবাণু থাকতে পারে, তাই দই নিরাপদ বিকল্প।
৪. তেতো খাবার
কর্লা, নিমপাতা, বথুয়া শাক, থানকুনি পাতা ও ভেষজ চা ইত্যাদি তেতো খাবার শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এগুলো ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অন্যান্য খনিজে সমৃদ্ধ। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে এই খাবারগুলো অ্যালার্জি ও অসুস্থতা কমাতে সাহায্য করে।
৫. আদা এবং রসুন
আদা ও রসুনে প্রদাহ-বিরোধী, জীবাণুনাশক ও অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য থাকে। আদা চা গলার সমস্যা কমায়, আর রসুন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যে খাবারকে নিরাপদ রাখে। রান্নায় ব্যবহার ছাড়াও কাঁচা রসুন খাওয়া যেতে পারে।