প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:৪৪ পিএম

বাঁশী কবে কখন কোথায় কিভাবে আবিষ্কার হলো তা জানিনা। সংগীত জগতে যতগুলো সুরেরযন্ত্র ব্যবহারীত হয় তার মধ্যে বাঁশীর সুর যেমন অনন্য মধুময় তেমনি মনের গভীরে যাদুকরী সিহরন তুলে মনকে উদাস ভাবনায় পাগল করে দেয়।
বাঁশী নিয়ে শত শত বছর থেকে অসংখ্য কবিতা , গল্প, উপন্যাস রচিত হয়েছে।বাঁশীর সুরে পাগল হয়ে কমল প্রান নারীদের ঘর ভাঙ্গার কাহিনীর কথা রুপ কথার গল্পে আমাদের প্রেম সাহিত্যের অনেক রম্য রচনা লেখা হয়েছে।বাঁশীর সুর নিয়ে হেমিলনের সেই বিখ্যাত গল্প আমরা অনেকেই জানি।আমাদের গ্রাম বাংলার মেঠো পথে,খোলা প্রান্তরে বটবৃক্ষের ছায়ায়, অলস দুপুরে রাখাল বালকেরা এখনো বাঁশের বাঁশীতে সুর তুলে।
এখনো পল্লি মায়ের দামাল ছেলেরা জারী, সারী, ভাটিয়ালী সুরে নৃত্য করে। বাঁশের বাঁশরীতে উত্তাল সংগীত মুর্চুনায় অবগাহন করে।কবির কবিতায়, গানের পংতিতে, সুরের লহরিতে, নৃত্যের তালে তালে, বাদলের বাদ্যলয়ে নিশীত রবির ঘুম কাড়ানিয়া বাঁশের বাঁশরী, তুমি যুগ যুগান্তর্রের পাগলা মনের দোল জাগানিয়া যাদুর কাঠি। তুমি রবীন্দ্র, নজরুল ,মীর্যা গালীব ,আর অমরখৈয়ামের রচিত গানের সুরের প্রতিক । তুমি অক্ষয় , তুমি চির জাগ্রত আমাদের বাঁশের বাঁশী।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর