প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম

১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে শুরু হয়েছে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তারই ধারাবাহিকতায় বাগেরহাটের শরণখোলায় নতুন রঙে সেজেছে পূজামণ্ডপগুলো। বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা দেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
এ বছর শরণখোলায় ২১টি মণ্ডপে উদ্যাপিত হচ্ছে শারদীয় এ উৎসব। নানা ধরনের প্রতিমা শোভা পেয়েছে এসব মণ্ডপে। দুর্গাদেবীর আগমন ও প্রস্থানের বাহন এবং তার ফলাফল নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বহু প্রথা প্রচলিত আছে। দেবী দুর্গা বা তাঁর পুত্র-কন্যাদের নিজস্ব বাহন থাকলেও দুর্গার আগমন ও প্রস্থান বিষয়ে প্রতিবছরই আলাদা আলাদা প্রথার উল্লেখ পাওয়া যায়। আর দেবীর এই বাহন বিষয়ে হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী মর্ত্যলোকে সারা বছর কেমন যাবে, তা উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে ঘোটক বা ঘোড়ায়। আর প্রস্থান ঘটবে নৌকায়।
শাস্ত্রমতে বলা হয়, আগমন (ঘোটক/ঘোড়া) ছত্রভঙ্গ বা সামাজিক অস্থিরতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। আর গমন দেবীর বিদায় নৌকায় হলে তা শস্যবৃদ্ধি ও জলবৃদ্ধির (সমৃদ্ধি) ইঙ্গিত দেয়।
বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরে জানা যায়, দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন প্রতিমা দেখতে আসছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সবগুলো মণ্ডপে নিরাপত্তার জন্য আনসার ও পুলিশ সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রোকেয়া খাতুন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের টহল চলছে। তা ছাড়া দুর্গম এলাকাগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের নিয়োজিত করা হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ