প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৯ পিএম আপডেট: ২১.১১.২০২৫ ৯:০৫ PM

সংগৃহীত ছবি
শুক্রবার সকালে বাংলাদেশে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর মাধবদী এলাকায়। আবহাওয়াবিদদের মতে, রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার এই কম্পন ছিল সাম্প্রতিক দশকগুলোতে দেশের ভেতরে উৎপন্ন সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।
এর আগে সিলেট, নোয়াখালী অঞ্চলে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে। তবে এবার ভূমিকম্পের কেন্দ্র ঢাকার আরো কাছে নরসিংদীতে।
ভূমিকম্প নিয়ে গবেষণা করেন এমন অনেকে বলছেন, এর আগে ঢাকার এত কাছে এই মাত্রার ভূমিকম্প উৎপত্তি হওয়ার ঘটনা ঘটেনি।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী বলছেন, বাংলাদেশের মধ্যে টেকটোনিক প্লেটের যে পাঁচটি সোর্স আছে তার মধ্যে নোয়াখালী থেকে শুরু করে কক্সবাজার, নোয়াখালী থেকে সিলেট এবং আরেকটি সিলেট থেকে ভারতের দিকে চলে গেছে।
নোয়াখালী থেকে সিলেট, এই অংশে যে বড় ফাটল রয়েছে তারই একটি ছোট অংশ নরসিংদী, এর ফলে নরসিংদী এলাকায় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল হওয়া অস্বাভাবিক নয় বলেও মনে করেন আনসারী।
'বড় ভূমিকম্প আসার আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয় এটি তার আগাম বার্তা, এমনটা মনে করছেন ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী।
তিনি বলেন, সাধারণত একশ থেকে দেড়শ বছর পরপর একটি অঞ্চলে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার শঙ্কা থাকে। বাংলাদেশও এর আশপাশের কাছাকাছি এলাকায় গত দেড়শ বছরে একটি বড় ও প্রায় পাঁচটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।
প্রায় এক শতাব্দী আগে বাংলাদেশের আশপাশে সর্বশেষ বড় ভূমিকম্প হয়েছিল বলে জানান তিনি। এ কারণে নিকট ভবিষ্যতে আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ