| শিরোনাম: |

২১ নভেম্বর শুক্রবার যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হবে। দিনের শুরুতে দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও বিমানবাহিনী ঘাঁটির মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের কল্যাণ, সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রগতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা পৃথক বাণী প্রদান করবেন।
আইএসপিআর জানায়, শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ঢাকার শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বাহিনী প্রধানরা পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেবেন। এসময় ১০১ জন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শুভেচ্ছা স্মারক বিতরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
এছাড়া বিকেল ৪টায় সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এতে প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, তিন বাহিনীর সাবেক প্রধান, সামরিক কর্মকর্তা, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিসহ সাংবাদিক ও বিশিষ্টজন উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে।
ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, কক্সবাজার, বগুড়া, সিলেট, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও খুলনার সেনানিবাস/ঘাঁটিতে এরিয়া সদর দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় সংবর্ধনা আয়োজন করা হবে। দেশের বিভিন্ন সেনা গ্যারিসন, নৌ ও বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হবে। ঢাকা, খুলনা, চাঁদপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর বিশেষভাবে সজ্জিত জাহাজ দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।
দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘অনির্বাণ’ প্রচার হবে এবং শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘দুর্বার’। এ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর পরিচালনাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ