প্রকাশ: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৩০ পিএম

বাংলাদেশে মানহানির মামলায় কার্যকর ফল না হওয়ায় কিছু গণমাধ্যম ইচ্ছেমতো মিথ্যা ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করছে এমন অভিযোগ তুলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি বলেন, “পত্রিকা, টিভি চ্যানেল আর অনলাইনগুলো বানিয়ে বানিয়ে খবর ছাপিয়ে পার পেয়ে যায়। প্রতিবাদ করলেই তারা গণমাধ্যম স্বাধীনতার আড়ালে লুকায়।”
তার দাবি, দেশে মানহানির মামলায় কখনোই কঠোর শাস্তি বা দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না থাকায় গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এতে গণমাধ্যমের জবাবদিহি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
পোস্টে শফিকুল আলম অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একজন স্বনামধন্য সম্পাদক তার পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে “মিথ্যা ও মনগড়া” সংবাদ ছাপাচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যের মতো দেশে ট্যাবলয়েড সংবাদপত্রগুলো সাংবাদিকতার নীতিশাস্ত্র লঙ্ঘন বা মানহানি ঘটালে কোটি কোটি পাউন্ড জরিমানা গুনতে হয়, কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন—এখানে শাস্তির ঝুঁকি নেই বললেই চলে।
প্রেস সচিব বলেন, এসব পত্রিকারই কিছু সম্পাদক নিয়মিত অভিযোগ করেন যে দেশে প্রেস–স্বাধীনতা নেই এবং রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোও অনেক ক্ষেত্রে “গবেষণা-বিহীন” প্রতিবেদন প্রকাশ করে সেই অভিযোগকেই পুনরাবৃত্তি করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশে সাংবাদিকরা “অভূতপূর্ব স্বাধীনতা” ভোগ করছেন। তার ভাষায়, “তাদের প্রায় যেকোনো কিছু লেখার এবং বলার লাইসেন্স আছে; এমনকি সামরিক বাহিনী সম্পর্কেও মনগড়া মন্তব্য করতে বাধা নেই।” তারপরও সাংবাদিক সমাজ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অভিযোগকারী গোষ্ঠীগুলোর একটি হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে