| শিরোনাম: |

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভোররাতে শীতের পরশ অনুভূত হচ্ছে কয়েক দিন ধরেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণেই এই শীতের অনুভূতি। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন আসবে না, যদিও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারা দেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া থাকবে মূলত শুষ্ক।
বুধবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি রাজধানীতেও তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় দুই ডিগ্রি কম। ঢাকায়ও ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা নেমেছে দেড় ডিগ্রি, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে এখনো দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য বেশি থাকায় শীত পুরোপুরি জেঁকে বসেনি। উদাহরণস্বরূপ, তেঁতুলিয়ায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি, অর্থাৎ দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মলিক জানিয়েছেন, “বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান অনেক বেশি। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে ১৮ নভেম্বরের পর দুই-তিন দিনের জন্য তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “আকাশ পরিষ্কার থাকায় রাতে তাপমাত্রা দ্রুত নেমে যাচ্ছে, আবার দিনে সূর্যের আলোয় তা বেড়ে যাচ্ছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসে, তবেই শীতের প্রকটতা বাড়বে। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই ধীরে ধীরে শীতের অনুভূতি বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ