
সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে হলে সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
☛ আসিফ নজরুলের বক্তব্যের পক্ষে দেশের মানুষ
☛ বিপক্ষে বিএনপিপন্থি ড্যাবের ডাক্তাররা
☛ অধিকাংশ ডাক্তারই এখন টেস্ট নির্ভর
☛ রির্পোট দেখাতেও ডাক্তার ফি নেয়
☛ আমার অভিযোগ সব চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নয় আসিফ নজরুলসেবা পেতে ভোগান্তি, রোগ ধরতে না পারা, স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট দেওয়া, রোগীকে যথেষ্ট সময় না দেওয়া, দায়িত্বে অবহেলায় মৃত্যু, স্বাস্থ্যসেবায় বাণিজ্যিক মনোভাব, জবাবদিহিতা ও নজরদারির অভাবসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর থেকে সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলছে।
সোজা কথায়, ডাক্তারদের কাছে যে মানের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কথা, রোগী সেটা পাচ্ছেন না বলেই চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। তাদের আস্থা অর্জন করতে হলে সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
বেসরকারি হিসেবে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় আট লাখের মতো মানুষ চিকিৎসা করাতে বিদেশে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মানুষ যাচ্ছেন ভারতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে, চিকিৎসার নামে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় পাঁচ শ’ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। এতে দেশটির অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী রোগী ও তার পরিবার অভিযোগ করলেই আন্দোলনের নামে ডাক্তাররা। আ’লীগ পন্থি ডাক্তারদের সংগঠন স্বাচিব ও বিএনপিপন্থি ডাক্তারদের সংগঠন ড্যাব। যখন যেদল ক্ষমতায় থাকে তখন সেই দলপন্থী সংগঠন আন্দোলন সংগ্রামে সরব থাকে। ফলে ভুক্তভোগী রোগী ও তার পরিবার অভিযোগ আমলে নিতে হিমশিম খায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এদিকে, গত শনিবার ডাক্তার এসব অনিয়ম তুলে ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বক্তব্যে ডাক্তাররা কি ওষুধ কোম্পানির দালাল প্রশ্ন আসিফ নজরুল বলেন, “চিকিৎসকদের অনেকেই তাদের রোগীদের স্বার্থ না দেখে ওষুধ কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা করেন।” এদিন রোগীদের নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠে আসে আইন উপদেষ্টার বক্তব্যে।
আইন উপদেষ্টা সরাসরি প্রশ্ন তুলে বলেন, “বাংলাদেশের বড় বড় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের জন্য ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করার নির্দিষ্ট সময় কেন বরাদ্দ থাকে, যা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে দেখা যায় না। চিকিৎসকরা কি ওষুধ কোম্পানির দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী হিসেবে কাজ করছেন?”
তিনি আরো বলেন, “তার একজন নিম্ন আয়ের কর্মচারীকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ১৪টি টেস্ট দেওয়া হয়েছিল। পরে ময়মনসিংহে পরিচিত এক ডাক্তারের কাছে টেস্ট ছাড়াই তিনি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।” গরীব রোগীদের ওপর এই অত্যাচার বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।
আইন উপদেষ্টার ভাষ্য, চিকিৎসকরা রোগীদের কথা ঠিকমতো শোনেন না, রোগী কথা বলার মাঝেই প্রেসক্রিপশন লেখা শুরু করে দেন, অথবা বিরক্তি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বিদেশে চিকিৎসকদের কথা শোনার প্রশংসা করে বলেন, “সেখানে ডাক্তার এত মন দিয়ে কথা শোনেন যে রোগী অর্ধেক ভালো হয়ে যান, আত্মবিশ্বাস ফিরে পান।”
রোগীদের সঙ্গে হাসপাতালের নার্স ও কর্মচারীদের ‘খারাপ ব্যবহার’ প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, “বেতন কম পাওয়ার ফলেই তারা এমন আচরণ করেন। একজন প্রশিক্ষিত নার্স মাত্র ১২ হাজার টাকা বেতন পান, যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকা কালে তার নিজের বাড়ির কাজের লোক এর সমান বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পেতেন।”
হাসপাতাল মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা যেন নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও ভালো বেতন দেন। তার মতে, অনেক মালিকের কোটি টাকার বাগানবাড়ি থাকলেও তারা কর্মীদের সামান্য বেতন বাড়ান না। মুনাফা থেকে ১০ ভাগ টাকা কর্মীদের পেছনে খরচ করলেও হাসপাতালের সেবার মান অনেক উন্নত হবে। আইন উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, এটা করা গেলে রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার প্রবণতা কমবে।”
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের এমন বক্তব্য মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ভাইরাল হয়। তার বক্তব্যে নিচে হাজার হাজার মানুষ মন্তব্য করেন। মন্তব্যকারীরা লেখেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা দেশের সাধারণ মানুষের মনের কথা বলেছেন। ডাক্তারদের দাপটে চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা। সেবার আড়ালে ডাক্তাররা যেন কসাই। শুধু রোগী পেলেই কুরবানি দিয়ে দেন। আর লাভবান হন ডায়গোনষ্টিকের মালিক ও ঔষধ কোম্পানির মালিকরা। তাদের কমিশন ও বাহারী উপহারে কোটিপতি বনে যান ডাক্তাররা একাধিক মন্তব্যকারী লেখেন, ঔষধ কোম্পানির পক্ষ থেকে ডাক্তারদের ফ্ল্যাট-প্লট উপহার দেওয়া দেওয়া হয়। তাদের ঔষধ লিখে টার্গেট পূরণ করলেই হাতে পান ফ্ল্যাটও প্লটের দলিল। এজন্য ডাক্তাররা এখন সেবার নামে ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর ডাক্তারদের প্রতি সাধারন মানুষের নেতিবাচক মনোভাব ফুটে ওঠে। এ কারণে আতে ঘা লাগে ডাক্তারদের। আর তখনই বিএনপিপন্থি ডাক্তারদের সংগঠন ডক্টর এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) বিবৃতি দেয়।
চিকিৎসকদের উদ্দেশ্য করে গত শনিবার এক অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। তারা উপদেষ্টার বক্তব্যকে চিকিৎসকদের জন্য ‘অবমাননাকর’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার সকালে রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে বিপিএইচসিডিওএ আয়োজিত অনুষ্ঠানে আসিফ নজরুল চিকিৎসকদের উদ্দেশ করে বলেন, “পৃথিবীতে কোন জায়গায় হসপিটালে, প্রাইভেট ক্লিনিকে সব সময় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির জন্য নির্দিষ্ট টাইম থাকে ডাক্তারের। আপনারা ওষুধ কোম্পানির দালাল? এ দেশে বড় বড় হসপিটালের ডাক্তাররা কি ওষুধ কোম্পানির মধ্যস্বত্বভোগী? কোন জায়গায় নামান আপনারা নিজেদের?
সদ্য নির্বাচিত ড্যাবের সভাপতি ডা. হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আইন উপদেষ্টাকে জনস্বার্থে তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করার অনুরোধ জানানো হয়।
বিবৃতিতে ড্যাবের নেতারা বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হয়েও চিকিৎসকদের নিয়ে এমন অবমাননাকর বক্তব্য চিকিৎসকদের নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগকে হেয়প্রতিপন্ন করেছে। এমন বক্তব্য স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনসাধারণের আস্থাকে সংকুচিত করে। ন্যায্য বেতন-ভাতা না পাওয়া সত্ত্বেও প্রত্যন্ত গ্রামীণ ক্লিনিক থেকে শহরের ব্যস্ততম হাসপাতালসমূহে বাংলাদেশের চিকিৎসকেরা নিরলসভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন। কোভিড-১৯ মহামারি থেকে শুরু করে ডেঙ্গুর প্রকোপ পর্যন্ত নানা স্বাস্থ্য সংকটে বহু চিকিৎসক জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন। কেউ কেউ প্রাণও হারিয়েছেন। তবুও চিকিৎসকরা তাদের সেবা ও মানবিকতার পথ থেকে পিছপা হননি।”
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে চিকিৎসকেরা আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। গণ-অভ্যুত্থানে চিকিৎসকদের এক বিশাল অবদান থাকার পরও সরকারের একজন উপদেষ্টা কর্তৃক চিকিৎসকদেরকে অপমান করা এক বিরাট অন্যায়। গঠনমূলক সমালোচনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সৌন্দর্য উল্লেখ করে বিবৃতিতে ড্যাব নেতারা বলেন, ‘তবে সেটি হতে হবে তথ্যনির্ভর ও সম্মানজনক। পুরো চিকিৎসক সমাজকে নিয়ে অযথা বদনাম করা হাজারো সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসকের আত্মত্যাগকে অপমানিত করে, চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।”
সর্বোপরি, মেধাবী তরুণদেরকে চিকিৎসাসেবার মতো মহান পেশায় আসার আগ্রহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা জনাব আসিফ নজরুলকে তার বক্তব্য পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাই এবং জনস্বার্থে একটি ব্যাখ্যা বা দুঃখ প্রকাশ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
এদিকে, ডাক্তারের প্রাথমিক ফি দেওয়ার পর রিপোর্ট দেখাতে আবার টাকা নেওয়ায় রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। রোগীদের অভিযোগ, প্রথমবার ডাক্তার দেখানোর সময়ই পরীক্ষার পরামর্শ ও চিকিৎসা পরিকল্পনার জন্য পুরো ফি নেওয়া হয়। কিন্তু রিপোর্ট হাতে নিয়ে ফের গেলে শুধুমাত্র দেখানোর জন্য সমপরিমাণ বা আংশিক ফি নেওয়া অন্যায্য এবং অযৌক্তিক।
রাজধানীর ধানমন্ডির এক রোগী বলেন, “এটা যেন এক ধরনের লুকানো খরচ। রিপোর্ট তো ডাক্তারই লিখে দিয়েছেন, এখন সেটা দেখাতে আবার টাকা কেন? এই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য অনেকেরই নেই। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলাতেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। এক স্কুলশিক্ষক জানান, ডাক্তার ফি ৫০০-১,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়, তার সাথে রিপোর্ট দেখানোর সময় অতিরিক্ত ৩০০-৫০০ টাকা দিতে হলে সাধারণ মানুষের জন্য তা কষ্টকর।”
স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “রিপোর্ট দেখানো চিকিৎসা সেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটিকে আলাদা সেবা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। প্রাথমিক ফি’র মধ্যেই রিপোর্ট দেখানো অন্তর্ভুক্ত করা হলে রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না এবং চিকিৎসক রোগী সম্পর্কও সুদৃঢ় থাকবে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনো একক নীতিমালা নেই। ফলে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো নিজস্ব নিয়মে ফি নির্ধারণ করছে। তাদের মতে, সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করে রিপোর্ট দেখানো বিনামূল্যে বা নামমাত্র খরচে করার ব্যবস্থা নিতে হবে।
কয়েকজন দাবি করেন, রিপোর্ট দেখানো প্রাথমিক ফি’র মধ্যে রাখতে হবে, স্বচ্ছ ফি কাঠামো প্রকাশ করতে হবে এবং সরকারি পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করতে হবে।
তবে সচেতন মহলের মতে, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার; অতিরিক্ত খরচের বোঝা রোগীর কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া অনৈতিক। এখনই নীতিগত পরিবর্তন না হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
এদিকে, গতকাল চিকিৎসকদের নিয়ে বক্তব্যের সমালোচনার জবাবে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, “আমার অভিযোগ এক শ্রেণির চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে, সব চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তিন কথা বলেন তিনি।”
পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, “গতকাল (শনিবার) একটি অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের সম্পর্কে কিছু কথা বলেছিলাম। প্রথমে রোগী হিসেবে আমার ভালো অভিজ্ঞতার কথা বলি। তারপর অন্যদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে জানা কিছু সমালোচনার কথাও বলেছি।”
আইন উপদেষ্টা বলেন, “সেখানে আমি বলেছি, এই সমালোচনাগুলো সব চিকিৎসকের জন্য প্রযোজ্য না। বলেছি, অনেক ডাক্তার আছেন ভালো, কিন্তু অন্য অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগও আছে। কিছু অভিযোগ স্টেটমেন্ট আকারে বলেছি, কিছু প্রশ্ন আকারে। পত্রপত্রিকা যখন এগুলো ছাপিয়েছে তখন আমার সম্পূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেনি। ফলে কারো কাছে মনে হতে পারে, রোগীর কথা মন দিয়ে না শোনা, বেশি টেস্ট করতে দেওয়া বা ওষুধ কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ; আমি এসব অভিযোগ ঢালাওভাবে সব ডাক্তারের সম্পর্কে করেছি। কিন্তু এটি ঠিক নয়। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছি, আমার এসব অভিযোগ এক শ্রেণির ডাক্তারের বিরুদ্ধে, সব ডাক্তারের বিরুদ্ধে না।”
তিনি লেখেন, “আমার বক্তব্য যেভাবে কিছু পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে, মনে হতে পারে অভিযোগগুলো সবার উদ্দেশ্যে করা। প্রচণ্ড ত্যাগ, সততা আর দক্ষতা নিয়ে এ দেশের যে বিপুল সংখ্যক ডাক্তার রোগীদের সেবা করেন, তাদের কাছে এটি গভীর মনোবেদনার কারণ হতে পারে। এমন ডাক্তার ভাই-বোনদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। তবে কিছু ডাক্তারের (তারা সংখ্যায় কম হতে পারেন) ক্ষেত্রে এসব অভিযোগ সত্যি কিনা তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও আপনাদের কাছে করে গেলাম।”
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস/ওফ