প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫, ৭:৪৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় বিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জনবিরল জায়গায় বিমানটি নামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
সোমবার (২১ জুলাই) বিকেলে পাঠানো এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, বিমানটি দুপুর ১টা ৬ মিনিটে কুর্মিটোলার এ কে খন্দকার বিমান ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই এটি যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়ে (তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে)।
আইএসপিআর আরও জানায়, বৈমানিক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম দুর্ঘটনা মোকাবিলা এবং বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে বিমানের দিক ঘুরিয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাইরে নিতে সচেষ্ট ছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিমানটি দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার হল ভবনের ক্যানটিন অংশে বিধ্বস্ত হয়।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় বৈমানিকসহ এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত এবং ১৬৪ জন আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইএসপিআর।
প্রসঙ্গত বিমানটি ছিল এফটি-৭ বিজিআই মডেলের যুদ্ধ প্রশিক্ষণ বিমান। দুর্ঘটনার সময় স্কুলে ক্লাস শেষ হয়ে কোচিং চলছিল, ভেতরে ছিলেন প্রায় ১০০–১৫০ শিক্ষার্থী। আগুন ধরে যাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। হতাহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে; অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানান।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর