
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় বিভাগীয় শাস্তির মুখে পড়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।
রাষ্ট্রপতির কাছে দণ্ড মওকুফের জন্য করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব কর্মকর্তার দণ্ড বাতিল করা হয়।
দণ্ড মওকুফ পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল, মির্জা আশিক রানা, মোনালিসা শাহরীন সুমিতা, মো. মামুন মিয়া, চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, সুলতানা হাবীব, মুরাদ আহমেদ, মামুনা খাতুন, মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান, মো. জিল্লুর রহমান, মো. শাহাদাত জামিল, শফিউল বশর, সবুজ মিয়া, মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, মো. জাকির হোসেন, মো. সানোয়ারুল কবির, সাধন কুমার কুন্ডু, আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান, সিফাত-ই-মরিয়ম এবং হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদান।
তাঁদের মধ্যে কর, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা রয়েছেন। কেউ উপকর কমিশনার, কেউ যুগ্ম বা অতিরিক্ত কর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আবার কয়েকজন কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের কমিশনার, উপ-কমিশনার ও রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।
২০২৫ সালে এনবিআর সংস্কারের দাবিতে কর্মকর্তাদের আন্দোলন একপর্যায়ে তীব্র আকার ধারণ করে। এর প্রভাবে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল। পরে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলন প্রত্যাহারের পর সরাসরি সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয় আইআরডি। মোট ৩৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে এনবিআরের তিন সদস্য ও একজন কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
সেই ধারাবাহিকতায় দণ্ডপ্রাপ্ত ২০ কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবার তাঁদের শাস্তি মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ