বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
ফিরে দেখা ২০২৪
জনরোষে ক্ষমতার পতন, হঠাৎ ছন্নছাড়া আ.লীগ
ইসহাক আসিফ
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৩৭ পিএম আপডেট: ৩০.১২.২০২৪ ৯:৫৩ PM

# ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা
# নিষিদ্ধ হয় সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ
# আওয়ামী নেতাকর্মীদের আত্মগোপন

৫ আগস্ট পতনে ক্ষমতার স্বাদ হারিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর আগে ক্ষমতার থেকে দলটি দেশ শাসন চালিয়েছে। টানা ১৭ বছর ক্ষমতা ধরে রেখেছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০০৮ সালে) জয়ী হয়ে মিত্রদের নিয়ে দলটি এ দীর্ঘসময় ছিল। অভিযোগ আছে, টানা ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ নেতারা খুন-ধর্ষণ; চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি; সন্ত্রাসি-মাস্তানি; ভূমিদখল-বাড়িদখলসহ বিভিন্ন রকম অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন। দলটির সভাপতি পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহেনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে পুতুল ও ভাগিনি টিউলিপ সিদ্দিকসহ শেখ পরিবারের অন্য সদস্যর নামে টাকা আত্মসাত ও পাচারের অভিযোগ আছে। 

জানা গেছে, অর্ধশত ‘দাম্ভিক’ নেতা আছেন পতিত আওয়ামী লীগে। তবে, এদের কেউ কারাগারে আছেন। দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। আবার কেউ আছেন আত্মপোপনে। জুলাই-আগস্টে বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাসহ অন্য মামলায় ‘দাম্ভিক’ ওই নেতারা আসামি। ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্টে পতন হয়েছে আওয়ামী লীগের। 

স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা সরকারে টানা ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ দাম্ভিক নেতারা ‘নীতি-নির্ধারক’ থেকে আধিপত্য বিস্তারে ছিলেন শীর্ষে। তবে, তাদের দেখে দলটির কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের অসংখ্য নেতাই একই পথে হেঁটেছেন। টানা ক্ষমতার মহে তারা ‘তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য’ বানিয়েছিল নীয়ম-নীতির বাছ-বিচার। স্ত্রী, সন্তান, পুত্রবধু এমনকি আত্মীয় স্বজনের নামে-বেনামে গড়েছেন অঢেল অর্থ- সম্পদ। কামিয়েছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। ভাব-ভঙ্গি; বড়াই-অংঙ্কার ও দম্ভ এমন ছিল তারা পুরো দেশ নিজেদের সম্পত্তি মনে করতেন। তবে, ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগের সবকিছু নিমেষেই চুর্ণ হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি সরকার গঠন করলেও সাত মাসেই হারিয়ে যেতে হয়েছে। এখন আওয়ামী লীগের প্রতাবশালী দাম্ভিক নেতারা অদৃশ্য। তাদের দেখা কোথাও মিলছে না। তবে, আওয়ামী লীগের ওইসব নেতারা গর্তে লুকিয়ে থেকে  হুটহাট দলের পক্ষে বিবৃত্তি দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

আওয়ামী লীগের হারিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জনসাধাণ বলছেন, কোথায় আওয়ামী লীগ। কোথায় সেই দলের নেতারা। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার এতো বয়ান, বড়াই-অহঙ্কার। দাম্ভিকতা দেখাইয়া হাসিনাও তো পালিয়েছে। আর, দলটির অন্য নেতাদেরও  জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গুহায় ঢুকতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ পাঁচ বছরে দেশে ১৬ হাজারের বেশি মানুষ খুনের শিকার হয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ৯টির বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ১৬ হাজার ৫৫৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ওই পাঁচ বছরে ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে ৯ হাজার ৯৫৫টি আর ডাকাতির মামলা হয়েছে ১ হাজার ৬৮৫টি। এছাড়া ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের শেষ পাঁচ বছরে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ৪৫২টি। আর চুরির অভিযোগে প্রায় ৫৫ হাজার মামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারে চতুর্থ মেয়াদ শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে। বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জুলাইয়ের আগ পর্যন্ত খুন হয়েছে ১ হাজার ৫৩৩টি। ১৮৩টি ডাকাতি, ১ হাজার ২২২টি ছিনতাই-দস্যুতা ও ২৮১টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। অপরদিকে, আওয়ামী লীগের টানা শাসনামলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘কিশোর গ্যাংয়ের’ দৌরাত্ম্য ছিল অনেক বেশি। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল, নারীদের উত্ত্যক্ত করাসহ নানা অপরাধে যুক্ত ছিল তখনকার ক্ষমতাসীন দলের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা এলাকাভিত্তিক এসব অপরাধী চক্র। 

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের তথ্যমতে, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জন। গুম হন ৬৭৭ জন, কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন ১ হাজার ৪৮ জন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের তালিকাসহ ২০২৪ সালের ঘটনা যুক্ত করলে নিহতের সংখ্যা হবে তিন হাজার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জন। এ সময়ে গুম হন ৬৭৭ জন, কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন ১ হাজার ৪৮ জন। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের তালিকাসহ ২০২৪ সালের ঘটনা যুক্ত করলে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়াবে বলে দাবি সংগঠনটির। 

বিচারবহির্ভূত হত্যার বিষয়ে অধিকারের পরিসংখ্যান বলছে, আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেয়ার বছর ২০০৯ সালে হত্যার শিকার হন মোট ১৫৪ জন। এছাড়া ২০১০ সালে ১২৭ জন, ২০১১ সালে ৮৪, ২০১২ সালে ৭০ জনকে হত্যা করা হয়। নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২৯ জনে। আর নির্বাচনের বছর ২০১৪ সালে ১৭২ জন, ২০১৫ সালে ১৮৬, ২০১৬ সালে ১৭৮, ২০১৭ সালে ১৫৫ জনকে হত্যা করা হয়।  ২০১৮ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছরে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয় ৪৬৬ জনকে। ২০১৯ সালে ৩৯১ জন, ২০২০ সালে ২২৫ জনকে হত্যা করা হয়। ২০২১ সালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারির পর তা কমে ১০৭ জন, ২০২২ সালে ৩১ ও ২০২৩ সালে ২৪ জনকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়।  এ দেড় দশকে ৬৭৭ জন গুমের শিকার হন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৮ জন গুমের শিকার হন ২০১৮ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছর। এছাড়া ২০০৯ সালে তিনজন, ২০১০ সালে ১৯, ২০১১ সালে ৩২, ২০১২ সালে ২৬, ২০১৩ সালে ৫৪, ২০১৪ সালে ৩৯, ২০১৫ সালে ৬৭, ২০১৬ সালে ৯০, ২০১৭ সালে ৮৮, ২০১৯ সালে ৩৪, ২০২০ সালে ৩১, ২০২১ সালে ২৩, ২০২২ সালে ২১ ও ২০২৩ সালে ৫২ জন গুমের শিকার হন। গুমের ফেরত আসা ব্যক্তিদের দেয়া বর্ণনা অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের শাসনামলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়ার পর নিজেদের তারা আবিষ্কার করতেন কোনো এক বদ্ধ রুমে। ‘আয়নাঘর’ কিংবা ‘সেফ হোম’ নামে পরিচিত সেই কুঠুরিতে বছরের পর বছর তাদের আটকে রেখে ভয়ংকর নিষ্ঠুর নির্যাতন করা হতো।

৫ আগস্ট পতিত হয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে প্রাণ রক্ষায় দেশ ছেড়ে পালিয়েছে দলটির সভাপতি স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। দলটির এমপি, মন্ত্রী, বিভিন্ন স্তরের জনপ্রনিধি ও তাদের দোসর এবং দলটির নেতারা আছেন আত্মগোপনে। জুলাই-আগস্টে হত্যাসহ অন্য শতাধিক মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে শেখ হাসিনাকে। দেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ। দলটির সহযোগি সংগঠন ছাত্র লীগও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর ফলে নিষিদ্ধ হয়েছে। আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে তৃনমূল হতাশ। দলটির নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কি। আদৌও কি দলটি আর ঘুরে দাড়াতে পারবে। আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব ও টিকে থাকা নিয়েও নানা প্রশ্ন তাদের।

ক্ষমতা হারিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে রীতিমতো পর্যদস্ত আওয়ামী লীগ। তৃণমূল থেকে কেন্দ্রর কোথাও অস্থিত্ব নেই। দলটির শীর্ষ থেকে তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে একস্থান থেকে অন্য স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। উল্লেখ করতে গেলে, ঐতিহ্যবাহী (রাজনৈতিক দল) আওয়ামী লীগ এখন নেতাকর্মী শূন্য। তবে, ভারতে পালিয়ে থাকা দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার কারণেও আওয়ামী লীগ পতন হয়েছে বলে ভাষ্য তৃনমূলের নেতাকর্মীদের। তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এখন গুজবে পরিণত হয়েছে। 

এদিকে, ৫ আগস্টেও পর থেকে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতির খবর একের পর এক বেড়িয়ে আসছে। বোন শেখ রেহেনাকে সঙ্গে রেখে তিনি (হাসিনা) সব দুর্নীতি করেছেন। আত্মসাৎ করেছেন হাজার হাজার কোটি টাকার বেশি। সাম্প্রতিক দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক তদন্ত থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্প থেকে ৫৯ হাজার কোটি টাকার আত্মসাত হয়েছে। ওই আত্মসাতের সঙ্গে টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিকের নাম উঠে আসছে। টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ। স্বৈরশাসক (বাংলাদেশ) শেখ হাসিনা তার আপন খালা। তবে, শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের প্রমাণ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এরকম একটি খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। 

২০২৪ সালে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে গোজামিলের ইশতেহার দিয়ে একতরফা নির্বাচন করেছে আওয়ামী লীগ। জনগণের অংশগ্রহণ না থাকলেও ‘ডামি’ প্রার্থী দিয়ে নিজেরা নিজেরাই নির্বাচন করেন। মনোনয়নেও ত্যাগীদের বাদ দিয়ে ব্যবসায়ী ও টাকার কুমিরদের প্রাধান্য দেয়। ফলে মুখ ফিরিয়ে নেন প্রকৃত রাজনীতিকরা। ভোটার সংকটের ওই নির্বাচনে মানুষের আশা-আকাঙ্খা পদদলিত করে টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় এসছিল আওয়ামী লীগ।

পরিবারতন্ত্রকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ঢাকায় আওয়ামী লীগের কোমর ভাঙে বহু আগেই। সব শেষ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তৃণমূলের শক্তি নষ্ট করে দলটি। জাতীয় নির্বাচনের কালো দাগ না কাটতেই বেশ কয়েকটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও চার ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। নিজেদের মধ্যে হানাহানি কমাতে এবং ভোটকে অংশগ্রহণমূলক করতে ইচ্ছেমতো আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে দলীয় প্রতীক তুলে দেয়। হাইব্রিড, অনুপ্রবেশকারী, স্বজন ও টাকার কুমিরদের কাছে মাঠ ছেড়ে দেন আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাকর্মীরা। এতে দুর্বল হয়েছে আওয়ামী লীগ।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close